রাগ এমন একটি বিষয়, যার কুপ্রভাবের ফলে আমাদের জীবনে নেমে আসে অশান্তির কালো ছায়া। রাগের মাথায় রূঢ় কথা বলে ফেলে উল্টো দিকের মানুষটিকে আঘাত করা কখনওই উচিত নয়। অনেকে আবার রেগে গিয়ে জিনিসপত্র নষ্টও করে ফেলেন। তাই রাগের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা জরুরি। প্রায় সব মানুষই রাগ বশে রাখতে চান। নিজের কাজ এবং কথার উপর লাগাম টানার চেষ্টা করে থাকেন। তবে সব সময় যে সেই কাজে সফল হন, তা নয়। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, এর নেপথ্যে থাকে দুষ্ট গ্রহের কারসাজি। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, জীবনে কোনও কুগ্রহের প্রভাবের ফলেই সীমাহীন ক্রোধের বশবর্তী হয়ে পড়ে মানুষ।
আরও পড়ুন:
যে সব গ্রহের নিয়ন্ত্রণ থাকার কারণে মানুষ রাগে রাশ টানতে পারে না, জ্যোতিষমতে, তাদের মধ্যে অন্যতম হল মঙ্গল। মঙ্গল যখন কারও প্রতি কুদৃষ্টিপাত করে, তখন এর প্রভাব মারাত্মক হয়ে ওঠে। মঙ্গল নিয়ন্ত্রিত রাগের প্রকার কেমন হয় সে বিষয়ে বলা আছে জ্যোতিষশাস্ত্রে। কারও প্রতি যদি অশুভ নজর দেয় লাল গ্রহটি, তার ফলে সেই ব্যক্তির আচরণে কী কী পরিবর্তন আসবে জেনে নিন—
মঙ্গলের প্রভাবে যাঁরা রাগান্বিত হন, তাঁদের কথাবার্তা হয়ে ওঠে যেন তীক্ষ্ণ অস্ত্র। আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন তাঁরা। আচরণ বা কথার বিষয়ে স্থির মস্তিষ্কে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানান এঁরা। এবং সেই কাজ থেকে কোনও অবস্থাতেই পিছিয়ে আসেন না। কোনও রকম ছলচাতুরি, তির্যক কথার জালে জড়িয়ে ফেলা মঙ্গলের দোষে দোষী মানুষের প্রকৃতিতে নেই। নির্ভেজাল রাগই তাঁদের হাতিয়ার।
আরও পড়ুন:
তাঁদের আচার-আচরণ এমনই চাঁচাছোলা হয়ে ওঠে যে উল্টো দিকের মানুষটি তার ধারে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যান। সে আক্রোশ যেন এক রুষ্ট যোদ্ধার, যিনি দৃপ্ত এবং ভয়ডরহীন। লেলিহান অগ্নিশিখার মতো হয় এই সব ব্যক্তির রাগ, যা যত দ্রুত সব কিছু একেবারে পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়, ঠিক ততটা দ্রুত গতিতে নিবেও যায়।