পুজো করতে বা ঈশ্বরের বন্দনা করতে আমরা সকলেই ভালবাসি। সব হিন্দু বাড়িতেই প্রায় পুজো-পাঠের রেওয়াজ রয়েছে। এবং এই রেওয়াজের সঙ্গে রয়েছে বিশেষ কিছু প্রথা, যা পুজোর সময়ে আমাদের অনুসরণ করতে হয়। তাঁর মধ্যে অন্যতম হল উলুধ্বনি। উলুধ্বনি, শঙ্খ বাজানো বা কাঁসর ঘণ্টা বাজানো সবই আমরা পুজোর সময়ে করে থাকি। এ সব ছাড়া পুজো যেন অসম্পুর্ন বলে মনে হয়। সে রকম উলুধ্বনিও পুজোর একটা অপরিহার্য অংশ। মনে করা হয়, উলুধ্বনি ছাড়া কোনও মাঙ্গলিক কাজ সম্পন্ন হয় না।
আরও পড়ুন:
উলুধ্বনিতে যে কেবল ঈশ্বরগণ সন্তুষ্ট হন তা নয়, উলুধ্বনির সঙ্গে জড়িয়ে আছে শ্রী, মঙ্গল, সমৃদ্ধি ও সামাজিক বিকাশ। উলুধ্বনি দেওয়ার ফলে যেমন দেবতাদের আশীর্বাদ পাওয়া যায় এবং তার সঙ্গে আমাদের আশপাশ হয়ে ওঠে পবিত্র। মনে করা হয় উলুধ্বনির মাধ্যমে জগতের অশুভ ও হানিকর ক্ষমতাদের নাশ করে, শুভ শক্তিকে আহ্বান করা হয়, যার ফলে সমাজের উন্নতি সফলতা নিশ্চিত হয়।
আরও পড়ুন:
কিন্তু মনে করা হয়, পুজো করার সময়ে উলুধ্বনি মেয়েদেরই দিতে হয়। ছেলেদের কখনও উলুধ্বনি দিতে নেই। উলুধ্বনি যদি ছেলেরা দেয়, তা হলে তাতে মঙ্গলের পরিবর্তে অমঙ্গলের ছায়া বেশি নেমে আসে। তাই কখনও পুজোর সময়ে ভুল করেও ছেলেদের উলুরধ্বনি দিতে নেই।