নূপুর মেয়েদের অতি পছন্দের গয়নাগুলির মধ্যে একটি। যুগের পর যুগ ধরে জাতিকারা পায়ে নূপুর পরে আসছেন। যদিও আজকাল পায়ে নূপুর পরার চল অনেক কমে গিয়েছে। আগেকার দিনে প্রায় সব মেয়েকেই পায়ে নূপুর পরতে দেখা যেত। আজকাল অনেকে আবার এক পায়ে নূপুর পরেন, যাকে অনেকে অ্যাংক্লেটও বলে থাকেন। সাধারণত পায়ে আমরা রুপোর তৈরি নূপুরই পরে থাকি। অনেকে আবার সোনার তৈরি নূপুরও পরেন। তবে এই দুই ধাতু পায়ে পরায় কোনও বাধা নেই তো? শাস্ত্রমত জেনে নিন।
আরও পড়ুন:
রুপোর বা সোনার নূপুর পরায় কোনও বাধা রয়েছে কি?
বহু যুগ ধরেই মহিলারা পায়ে রুপোর তৈরি নূপুর পরে আসছেন। এতে ভুল কিছু নেই। উল্টে পায়ে রুপোর তৈরি নূপুর পরলে ভালই হয়। কিন্তু সোনার তৈরি নূপুর পায়ে পরা অনুচিত। এতে মা লক্ষ্মী রুষ্ট হন।
আরও পড়ুন:
রুপোর নূপুর পরার উপকারিতা:
- শান্তি লাভ করা যায়। মনের জটগুলি কেটে গিয়ে শান্তি ফিরে আসে।
- কোষ্ঠীতে চন্দ্রের স্থান দুর্বল থাকলে তা শক্তিশালী হয়। এর ফলে একাগ্রতা বৃদ্ধি পায়। আবেগের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতেও সুবিধা হয়।
- নূপুরের টুংটাং শব্দ ঘর থেকে নেচিবাচক শক্তি দূর করতে সাহায্য করে। বদলে পজ়িটিভ শক্তির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।