সোনার গয়না ভাল লাগে না এমন মানুষ হাতেগোনা কয়েক জনই রয়েছেন। হলুদ ধাতুর প্রতি প্রেম প্রায় সকলেরই রয়েছে। সে তার দাম যতই বাড়ুক না কেন, সোনার থেকে মুখ ফেরাতে পারেন না কেউই। সোনা ছাড়া অধিকাংশ ভারতীয় বিয়ের কথা ভাবাই যায় না। জ্যোতিষমতে, সোনা বৃহস্পতির সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই মন চাইলেই সোনার গয়না গড়িয়ে পরে নিলেন সেটি করা যাবে না। সোনার গয়না পরার ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। না হলে বৃহস্পতির কুদৃষ্টি আপনার উপর পড়তে পারে।
আরও পড়ুন:
সোনার গয়না পরার ক্ষেত্রে কোন নিয়মগুলি মানতে হবে?
- যে সকল জাতক-জাতিকার কোষ্ঠীতে বৃহস্পতি দুর্বল থাকে, তাঁদের সোনা পরা উচিত নয়। এতে বৃহস্পতির কুপ্রভাব দানের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র। তাই জন্মছকে বৃহস্পতি খারাপ অবস্থানে থাকলে বা বৃহস্পতির স্থান দুর্বল থাকলে সোনা না পরাই ভাল হবে।
- অন্য কোনও ধাতুর সঙ্গে সোনা পরলে বৃহস্পতির ফলদানের ক্ষমতা লোপ পায়। তাই সোনা পরলে গায়ে আর অন্য কোনও ধাতুর গয়না না পরাই ভাল বলে মনে করা হয়। যদি একান্তই পরতে হয়, তা হলে এক বার জ্যোতিষীর পরামর্শ নিয়ে নেওয়া উচিত।
আরও পড়ুন:
- কোমরে বা পায়ে কখনও সোনার গয়না পরা উচিত নয়। এর ফলে শরীর তথা মানসিক স্বাস্থ্যের উপর কুপ্রভাব পড়তে দেখা যায়। সোনাকে যে হেতু মা লক্ষ্মীর ধাতু হিসাবে মনে করা হয়। তাই পায়ে এই ধাতু পরা মানে মা লক্ষ্মীকে অসম্মান করা বোঝায়। তাই কোমর ও পায়ে সোনা পরা এড়িয়ে চলতে হবে।
- শাস্ত্রমতে, ছেলেদের বাঁ হাতে সোনা পরা উচিত নয়। এর ফলে নানান কুপ্রভাবের শিকার হতে হয়। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বাঁ হাতে সোনা পরা থেকে বিরত থাকতে হবে।
- অনেকেই ঘুমোতে যাওয়ার সময় পরে থাকা সোনার গয়না খুলে বালিশের নীচে রেখে দেন। তবে এই কাজ করা মোটেও উচিত নয়। এর ফলে ঘুম সংক্রান্ত নানা সমস্যা দেখা দেয়। মা লক্ষ্মীও রুষ্ট হন। তাই মাথার কাছে সোনার গয়না রেখে কখনও ঘুমোতে যাবেন না।
আরও পড়ুন:
- লোহা, কয়লা বা শনির সঙ্গে সম্পর্কিত ধাতুর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত জাতক-জাতিকাদের সোনার গয়না পরা উচিত নয় বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র।
- বহু মানুষই বিভিন্ন গ্রহরত্ন সোনার আংটিতে বাঁধিয়ে পরেন। তবে বিশেষ কিছু পাথর রয়েছে যেমন নীলা, পান্না প্রভৃতি সোনার আংটিতে পরা যাবে না। তাই যে কোনও রত্ন ধারণের পূর্বে সেটি সোনা দিয়ে পরা যাবে কি না তা এক বার জ্যোতিষীর থেকে জেনে নিতে হবে।