কমবেশি সকলেরই ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় সজাগ থাকে। অবচেতন মনে তাঁরা আগে থেকেই কোনও বিপদের আভাস পেয়ে যান। এমনকি, কোন সময়ে কোন পদক্ষেপ করা উচিত তা-ও অবচেতনে বুঝে যান তাঁরা। নিয়মিত ধ্যান অভ্যাসের ফলে ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় শক্তিশালী করে তোলা যায় ঠিকই। কিন্তু সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী, বিশেষ কয়েকটি জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকাদের মধ্যে জন্মগত ভাবেই এই গুণ রয়েছে। নীচে সেই জন্মসংখ্যাগুলি নিয়ে বিস্তারে আলোচনা করা হল—
জন্মসংখ্যা ২
এই জন্মসংখ্যার অধিপতি চন্দ্র। চন্দ্র মনের কারক হওয়ায় এই জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং আবেগপ্রবণ প্রকৃতির হন। তাঁরা অন্যের দুঃখ বা মানসিক পরিস্থিতি খুব সহজেই অনুভব করতে পারেন। তাঁদের আধ্যাত্মিক ক্ষমতা এবং ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় সাধারণ মানুষের চেয়ে অনেক বেশি সক্রিয় থাকে।
আরও পড়ুন:
জন্মসংখ্যা ৭
সংখ্যাতত্ত্বে ৭ সংখ্যাটিকে কেতু গ্রহের প্রতীক বলে মনে করা হয়। এই জন্মসংখ্যার ব্যক্তিরা জন্মগত ভাবেই আধ্যাত্মিক এবং রহস্যময় বিষয়ের প্রতি আকর্ষিত হন। এঁদের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় প্রচণ্ড তীব্র হয়। কোনও ঘটনা ঘটার আগেই তাঁরা অবচেতন ভাবে তার আভাস পেয়ে যান। তাঁরা চমৎকার ভাবে মানুষের মন পড়তে পারেন। কেউ মিথ্যা বললে বা প্রতারণা করার চেষ্টা করলে খুব সহজেই তা ধরে ফেলেন। এই জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকাদের স্বপ্ন প্রায়ই সত্যি হয়।
জন্মসংখ্যা ৯
৯ সংখ্যার অধিপতি গ্রহ হল মঙ্গল। এটি চক্রের শেষ সংখ্যা হওয়ায় তাঁকে আধ্যাত্মিক পূর্ণতার সংখ্যাও বলা হয়। এই জন্মসংখ্যার ব্যক্তিদের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় খুব সজাগ হয়। কোনও মানুষ বা পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁদের প্রথম ধারণা সাধারণত সঠিক ভাবে মিলে যায়। এই ধরনের ব্যক্তিরা দূরদর্শী হন এবং মানুষের এনার্জি খুব দ্রুত টের পান।