মঙ্গলবার চৈত্র সংক্রান্তি। হাতে আর মাত্র একটি দিন। তার পরেই শেষ হবে ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। ইংরেজির ১৫ এপ্রিল, ২০২৬-এ নতুন বাংলা বছরে পা দিতে চলেছি আমরা। নতুন বছর ভাল কাটবে সেই আশায় অনেক বাড়িতেই পুজোআচ্চা হয়ে থাকে। অনেকে আবার বাংলা ক্যালেন্ডারের প্রথম মাস বৈশাখ জুড়েই পুজো করেন। শুধু বাড়ি নয়, পুজো করা হয় ব্যবসার স্থানেও। বৈশাখ মাস জুড়ে বিশেষ এক দেবতার পুজো করলে এবং কিছু সহজ রীতি মেনে চললে তা অত্যন্ত শুভফলদায়ী হয়ে উঠবে।
সেই দেবতা হলেন সিদ্ধিদাতা গণেশ। সিদ্ধিদাতার অপর এক নাম বিঘ্নেশ। সব বাধাবিঘ্ন নাশ করেন তিনি, এমনটাই বিশ্বাস। বিঘ্ননাশী এই দেবতার পুজো করলে জীবনের সমস্ত বাধাবিপত্তি দূর হয় বলে মনে করেন তাঁর ভক্তেরা। সুখ-শান্তি বজায় থাকে। আর্থিক সমৃদ্ধিও হয় তাঁর আশীর্বাদে।
আরও পড়ুন:
জেনে নিন গণপতির পূজার নিয়মগুলি:
- দিক: গণেশের মূর্তি স্থাপনের জন্য উত্তর, পূর্ব বা উত্তর-পূর্ব দিক শুভ। মূর্তি যেন বসা অবস্থায় থাকে, দাঁড়ানো মূর্তি না হয় সে দিকে খেয়াল রাখবেন।
- দূর্বা ও ফুল: গজাননের প্রিয় দূর্বা। হলুদ ও সিঁদুর লেপে ২১টি দূর্বা এবং লাল ফুল অর্পণ করুন।
আরও পড়ুন:
- নৈবেদ্য: গণশকে গুড়, খাঁটি ঘি এবং অখণ্ড আতপ চাল নিবেদন করুন। আতপ চাল কিছু ক্ষণ জলে ভিজিয়ে রাখতে ভুলবেন না। এর পর সেই প্রসাদ গরুকে খাওয়ালে আর্থিক সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে বলে প্রচলিত বিশ্বাস।
- ভোগ: বিভিন্ন মরসুমি ফল, হলুদ রঙের মিষ্টি গণেশকে ভোগ হিসাবে দিন। মন চাইলে পয়লা বৈশাখে অন্নভোগও দিতে পারেন।
- মন্ত্র: বৈশাখ মাসের প্রতিটি দিন একাগ্র চিত্তে গণেশমন্ত্র জপ করুন।