Advertisement
E-Paper

বাবা ধার শোধ করতে পারেননি, ১০ বছরের বালককে যৌন নির্যাতন করে খুন করল তারই তিন বন্ধু

অভিযোগের ভিত্তিতে একাধিক ধারায় মামলা নথিভুক্ত করে পুলিশ। অভিযুক্ত তিন জনের মধ্যে দু’জনকে পুলিশ জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডের সামনে হাজির করিয়েছে। তৃতীয় অভিযুক্ত বালকের সন্ধান চলছে।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০১ অক্টোবর ২০২২ ১৫:৫৬

প্রতীকী ছবি।

ধার নিয়েছিলেন বাবা। কিন্তু সেই টাকা শোধ করতে পারেননি। সেই রাগ থেকে এক ১০ বছরের বালককে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠল তারই তিন সমবয়সি বন্ধুর বিরুদ্ধে। দিল্লির হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে সেই নির্যাতিতের।

গত ২২ সেপ্টেম্বর, সিলামপুর থানায় ফোন করেন দিল্লি সরকারের লোকনায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বলা হয়, একটি ১০ বছরের বালক শারীরিক আঘাত নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বালকটি আঘাত পেয়েছে তিন দিন আগে। তার পরই হাসপাতালে পৌঁছয় পুলিশ। কিন্তু বালকের অভিভাবকেরা পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকার করেন।

এই ঘটনায় দিল্লি মহিলা কমিশন দোষীদের গ্রেফতার করে কড়া শাস্তি দিতে দিল্লি পুলিশকে নোটিস দেয়। মহিলা কমিশন দাবি করে, এক মহিলা তাদের কাছে অভিযোগ করেছেন, তাঁর ছেলেকে যৌন হেনস্থা করা হয়েছে। এমনকি বালকের পায়ুতে রড ঢোকানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন ওই মহিলা। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ঘটনার পরই বালকটিকে হাসপাতালে আনা হলে হয়তো সে বেঁচে যেত। শনিবার সকালে বালকের মৃত্যু হয়।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বালকের পরিবার পুলিশের কাছে কোনও জবানবন্দি দিতে চায়নি। কিন্তু পুলিশ বুঝিয়ে পরিবারের লোকেদের রাজি করায়। মৃত বালকের মা দাবি করেন, ছেলেকে শারীরিক ভাবে হেনস্থা করেছে তারই তিন বন্ধু। কারণ, বালকের বাবা বন্ধুদের কারও পরিবারের কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নিয়েছিলেন। কিন্তু সেই টাকা তিনি সময়ে ফেরাতে পারেননি। মহিলা পুলিশের কাছে দাবি করেন, শুধু যৌন নির্যাতনই নয়, ছেলেকে লাঠি ও রড দিয়েও পেটানো হয়েছে। নির্যাতনকারীদের মধ্যে এক জন বালকেরই নিকটাত্মীয়।

মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে একাধিক ধারায় মামলা নথিভুক্ত করে পুলিশ। অভিযুক্ত তিন জনের মধ্যে দু’জনকে পুলিশ জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডের সামনে হাজির করিয়েছে। তৃতীয় অভিযুক্ত বালকের সন্ধান চলছে।

Child death Delhi Sexual Assault
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy