E-Paper

ভয়ে কাঠুয়ার আইনজীবী

দীপিকা বলেন, দুই রক্ষীর এক জন তাঁর সঙ্গে থাকতেন। অন্য জন তাঁর মেয়েকে স্কুলে নিয়ে যেতেন। গত বছর তিনি ওই দু’জনের মধ্যে এক রক্ষীকে বদলে দেওয়ার অনুরোধ করেন। উল্টে এক রক্ষীকে পুরোপুরি তুলে নেওয়া হয়। এখন মাত্র এক জন রক্ষী রয়েছেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ মার্চ ২০২৬ ০৮:৩৮

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

জম্মুর কাঠুয়ায় ২০১৮ সালে ধর্ষিতা হয়ে খুন হওয়া আট বছরের বালিকার পরিবারের হয়ে মামলা লড়েছেন তিনি। সেই আইনজীবী দীপিকা পুষ্কর নাথের অভিযোগ, তাঁর দুই ব্যক্তিগত নিরাপত্তা আধিকারিকের মধ্যে এক জনকে মাস তিনেক আগে সরিয়ে নিয়েছে পুলিশ-প্রশাসন। ওই মামলা লড়ার সময়েই তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা হয়েছিল।

দীপিকা বলেন, দুই রক্ষীর এক জন তাঁর সঙ্গে থাকতেন। অন্য জন তাঁর মেয়েকে স্কুলে নিয়ে যেতেন। গত বছর তিনি ওই দু’জনের মধ্যে এক রক্ষীকে বদলে দেওয়ার অনুরোধ করেন। উল্টে এক রক্ষীকে পুরোপুরি তুলে নেওয়া হয়। এখন মাত্র এক জন রক্ষী রয়েছেন। ফলে তাঁর মেয়ের স্কুলে যাওয়া বন্ধ। আইজি-র কাছে গিয়েও লাভ হয়নি। দীপিকার কথায়, ‘‘মেয়েকে একা বা অচেনা লোকের সঙ্গে স্কুলে পাঠাতে ভয় করছে। আমাদের কিছু হলে জম্মুর আইজি (নিরাপত্তা) দায়ী থাকবেন।’’ দেশের প্রধান বিচারপতি এবং জম্মু ও কাশ্মীর হাই কোর্টের হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি লিখেছেন দীপিকা। আদালতে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। কংগ্রেসে যোগ দেওয়া এই আইনজীবীর অভিযোগ, মামলাটি নেওয়ার পর থেকেই সামাজিক ও পেশাগত ভাবে একঘরে করে দেওয়া হয়েছে তাঁকে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Advocate Harrasment

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy