নিজে শখের বশে এসেছিলেন অভিনয়ে। প্রতিভার জোরে আটের দশকে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের জায়গাও করে নিতে পেরেছিলেন। কিন্তু বেশিদিন থাকতে চাননি প্রতিযোগিতায়। তাই অল্প সময়ের মধ্যেই অভিনয়ের পাট চুকিয়ে অভিনেত্রী নীলম ফিরে যান পারিবারিক গয়নার ব্যবসায়। আশির দশকের গোবিন্দের সঙ্গে তাঁর প্রেম ছিল বহুল আলোচিত। ২০০০ সালে ইংল্যান্ডের ব্যবসায়ী ঋষি শেঠিয়াকে বিয়ে করেন নীলম। তবে সে বিয়ে দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। তার পর একতা কপূরের মাধ্যমে প্রেমের শুরুটা হয় নীলম ও ‘ফ্যাশন’-খ্যাত অভিনেতা সমীর সোনির মধ্যে। নীলমের সঙ্গে প্রথম বার দেখা করতে গিয়ে ‘প্যানিক অ্যাটাক’ হয় সমীরের।
আরও পড়ুন:
এক দশকেরও বেশি সময় একা থাকার পরে নীলম আবার বিয়ে করেন ২০১১ সালে। তাঁর দ্বিতীয় পক্ষের স্বামী সমীর সোনি এক জন অভিনেতা। ২০১৩ সালে একটি কন্যাসন্তান দত্তক নিয়েছেন সমীর ও নীলম। তার নাম রাখা হয়েছে ‘অহনা’। এক পার্টিতে দেখা হয় নীলম ও সমীরের। নীলমের সৌন্দর্য দেখে তাঁকে ‘কিউট’ সম্বোধন করে বসেন সমীর। যদিও নীলমের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সাহস ছিল না সমীরের। একতা কপূরকে মনের কথা জানাতেই একে অপরের ফোন নম্বর নেন তাঁরা। প্রায় তিন মাস ফোনে কথা বলেন তাঁরা। তার পর এক দিন কফি ডেটে যান তাঁরা। নীলমকে সামনে থেকে দেখামাত্রই ‘প্যানিক অ্যাটাক’ করতে শুরু করেন।
সমীরের কথায়, ‘‘আমার প্যানিক অ্যাটাক হচ্ছিল, দর দর করে ঘামছিলাম। তার মধ্যে কফি খাচ্ছি। তার পর গাড়িতে গিয়ে বসতেই একটু স্বস্তিবোধ হয়। আসল নীলম এমন ভয় পাইয়ে দিয়েছিল যে অস্বস্তি হচ্ছিল।’’ যদিও এর পরই খুব ঘরোয়া ভাবে বিয়ে সারেন তাঁরা। এতগুলো বছর কেটে গিয়েছে তাঁদের দাম্পত্যজীবনের। যদিও নীলমের আক্ষেপ রয়ে গিয়েছে। সমীর তাঁকে মাত্র এক বারই ডেটে নিয়ে গিয়েছেন। প্রথম আলাপের পরেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন তাঁরা। তার পর ডেটে গিয়েছেন মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে।