রাজেশ খন্না ও ডিম্পল কপাডিয়ার বড় মেয়ে টুইঙ্কল খন্না। কেরিয়ার শুরু করেছিলেন অভিনয় পেশা দিয়ে। পরবর্তী কালে নিজেকে লেখিকা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেন টুইঙ্কল। তবে নিজের কেরিয়ারে সব মিলিয়ে ১৩টির মতো ছবি করেছেন। শাহরুখ খান-আমির খান-সলমন খানের মতো বড় তারকাদের সঙ্গে তাঁর কিছু ছবি হিট হলেও অনেক ছবিই চলেনি। এ হেন টুইঙ্কলকে নাকি ‘মেলা’ ছবির সেটে চড় মারতে যান আমির!
আরও পড়ুন:
২০০০ সালে মুক্তি পায় ‘মেলা’ ছবিটি। প্রথম বার প্রেমের ছবিতে দেখা গিয়েছিল আমির-টুইঙ্কলকে। যদিও সেই সময় অক্ষয় কুমারের সঙ্গে পুরোদমে প্রেম করছেন অভিনেত্রী। ছবির শুটিংয়ে আউটডোরে গিয়েছিল গোটা টিম। আমিরের সঙ্গে কিছুতেই কাজে মন বসছে না অভিনেত্রীর। বার বার অন্যমনস্ক হয়ে পড়ছিলেন টুইঙ্কল। অন্য দিকে, আমিরের সব শটই চাই একেবারে নিখুঁত। টুইঙ্কলকে অন্যমনস্ক দেখেই আমির জানতে চান কী হয়েছে তাঁর। টুইঙ্কল জানান, অক্ষয়ের কথা ভাবছেন, তাই বার বার মন চলে যাচ্ছে অন্য দিকে। শুনে ধমক দিয়ে প্রায় থাপ্পড় কষাতে যান আমির। যদিও গোটা ঘটনাটি মজার ছলেই বলেন টুইঙ্কল।
এমন স্মৃতি রোমন্থনের সময় টুইঙ্কলের পাশেই ছিলেন আমির। অভিনেত্রীর এমন দাবি শুনে খানিক চমকে গিয়ে প্রশ্ন করে বসেন, ‘ আমি সত্যিই এমন করি?’ তাতেই টুইঙ্কল জানান, আমির মনে মনে তেমনটাই করবেন ভেবেছিলেন বলে রাগ দেখিয়ে বিষয়টা সেখানেই শেষ করেন অভিনেত্রী।
টুইঙ্কলের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে আমিরেরও। তিনি টুইঙ্কলের অভিনয় দক্ষতার প্রশংসা করার মোড়কে জানান, অভিনেত্রীর আরও একটি গুণ আছে। সেটি লোককে অপমান করার। আমিরের কথায়, ‘‘আসলে পৃথিবীতে সব মানুষের কিছু না কিছু গুণ থাকে, টুইঙ্কলের সেই গুণটা হল মানুষকে অপমান করার গুণ। আমাকে বরাবর নানা ভাবে অপমান করেই এসেছে ও।’’ যদিও আমিরের সংযোজন, টুইঙ্কলের এমন স্বভাবের পিছনে রয়েছে তীক্ষ্মবুদ্ধি রসবোধসম্পন্ন এক জন মানুষ। সেটাই আমিরের কাছে টুইঙ্কলের ব্যক্তিত্বের আকর্ষণীয় বিষয়।
‘মেলা’ ছবির পর টুইঙ্কলের সঙ্গে আর কখনও কোনও ছবিতে কাজ করেননি আমির। এই ছবির পর পরেই অক্ষয়কে বিয়ে করেন এবং অভিনয় থেকেই মুখ ফেরান টুইঙ্কল। যদিও নিজের জীবনের প্রায় সব সময় সাজগোজ থেকে লেখালিখি কিংবা বিলাসবহুল বাড়ির অন্দরসজ্জা— এমন নানাবিধ কারণে প্রচারের আলোতেই থাকেন তিনি।