Advertisement
E-Paper

চার মাস ধরে কন্যার দেহ ঘরবন্দি করে রাখেন, গন্ধ আটকাতে ছড়াতেন সুগন্ধি! কঙ্কাল উদ্ধারের পরে গ্রেফতার বৃদ্ধ

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত উদয়ভানু বিশ্বাসের কন্যা প্রিয়ঙ্কা দীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। গত বছরের ডিসেম্বরে মৃত্যু হয় তাঁর। অভিযোগ, প্রিয়ঙ্কার মৃত্যুর পর উদয় তাঁর শেষকৃত্য করেননি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৮ মে ২০২৬ ১৩:১৪
A man arrested for hiding daughter\\\\\\\\\\\\\\\'s death in Uttar Pradesh

ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

চার মাস আগে মৃত্যু হয় তাঁর একমাত্র কন্যার। কিন্তু কন্যার মৃত্যু মেনে নিতে পারেননি বছর বাহাত্তরের বৃদ্ধ। কন্যার শেষকৃত্য না-করে দেহ বাড়ির মধ্যেই লুকিয়ে রাখেন তিনি। দুর্গন্ধ যাতে ছড়িয়ে না-পড়ে সেই কারণে ঘরে সব সময় পারফিউম দিতেন। পুলিশ ওই বন্ধ ঘর থেকে ওই মহিলার কঙ্কাল উদ্ধার করতেই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। পুলিশ ওই বৃদ্ধকে গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত উদয়ভানু বিশ্বাসের কন্যা প্রিয়ঙ্কা দীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। গত বছরের ডিসেম্বরে মৃত্যু হয় তাঁর। অভিযোগ, প্রিয়ঙ্কার মৃত্যুর পর উদয় তাঁর শেষকৃত্য করেননি। তার বদলে বাড়ির একটি পরিত্যক্ত ঘরে দেহ বন্ধ করে রেখেছিলেন। গত ১০ এপ্রিল বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

কী ভাবে জানা গেল? তদন্তকারী সূত্রে খবর, এলাকার এক চায়ের দোকানে উদয়কে দেখতে পেয়ে কয়েক জন আত্মীয় প্রিয়ঙ্কার খবর জিজ্ঞেস করেন। প্রথমে উদয় দাবি করেন, চিকিৎসার জন্য প্রিয়ঙ্কাকে দেহরাদূনের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। তবে তাঁর কথায় অসঙ্গতি লক্ষ করেন আত্মীয়েরা। খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে প্রিয়ঙ্কা সম্বন্ধে জানতে চান তাঁরা। তখনই কন্যার মৃত্যু এবং দেহ বাড়িতে লুকিয়ে রাখার বিষয়টি স্বীকার করেন উদয়।

ওই আত্মীয়েরাই পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে ঢোকে। আর সেখান থেকে পচনশীল একটি কঙ্কাল উদ্ধার করে। তা পাঠানো হয় পরীক্ষার জন্য। সেই পরীক্ষার রিপোর্টে স্পষ্ট হয় ওই কঙ্কাল প্রিয়ঙ্কারই। এ ভাবে দেহ আটকে রাখার অভিযোগে ভারতীয় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় উদয়কে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, উদয় মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। তাঁর চিকিৎসাও চলছিল। তবে নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে কলকাতার রবিনসন স্ট্রিটে প্রায় অনুরূপ একটি ঘটনার খবর প্রকাশ্যে এসেছিল। বোনের মৃতদেহ আগলে ছিলেন দাদা পার্থ দে। দু’টি কুকুরের কঙ্কালও উদ্ধার হয়েছিল। বাবা অরবিন্দ দে-র দগ্ধ দেহ উদ্ধারের সূত্রেই ওই বাড়িতে প্রথম ঢুকেছিল পুলিশ। তার পর প্রকাশ্যে আসে পার্থের দিদি দেবযানী এবং দুই কুকুরের কঙ্কাল।

Uttar Pradesh Skeleton
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy