০১ অক্টোবর ২০২২
Foundation Day

DS Group Foundation Day: ডিএস গ্রুপের ৯৩তম প্রতিষ্ঠা দিবসে সমন্বয়ের সুর, নতুন স্বপ্নের সূচনা

পুরনো দিল্লির চাঁদনি চকে একটি সুগন্ধির দোকান থেকে পথ চলা শুরু করেছিলেন লালা ধর্মপাল। বলা যায়, সেই দোকানই ছিল ডিএস গ্রুপের ভিত্তি প্রস্তর।

ধর্ম পাল ও সত্য পাল

ধর্ম পাল ও সত্য পাল

এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো
শেষ আপডেট: ১৪ অগস্ট ২০২২ ০০:২২
Share: Save:

বর্তমান সময়ে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে ‘এফএমসিজি’ শব্দটি। যার আভিধানিক সংজ্ঞা হল দ্রুত-চলমান কনজিউমার পণ্য। অর্থাৎ গতিশীল জীবনে চলার পথে আমাদের যা যা প্রয়োজন হয়, তার সবকিছুই পড়ে এফএমসিজি-র আওতায়। স্বাধীনতারও প্রায় দুই দশক পূর্বে, ১৯২৯-এ এমনই কিছু পণ্য নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন দুই ভারতীয় — ধর্মপাল ও সত্যপাল। সংস্থা নামকরণ হয় তাঁদের নামেই — ডিএস গ্রুপ অর্থাৎ ধর্মপাল-সত্যপাল গ্রুপ। এর পর কেটে গিয়েছে প্রায় ৯৩ বসন্ত। এই একবিংশ শতকে দাঁড়িয়ে শুধু দেশই নয়, আন্তর্জাতিক স্তরেও অন্যতম সেরা এফএমসিজি ব্র্যান্ডের তকমা পেয়েছে ডিএস গ্রুপ।

১৪ অগস্ট। সংস্থার ৯৩তম প্রতিষ্ঠা দিবস। এই অভিযাত্রা এতটাও সহজ ছিল। সেই শুরুর সময় থেকেই ডিএস গ্রুপের প্রধান লক্ষ্য ছিল নতুন কিছু করা। বলা ভাল, এমন কিছু করা যা মাইলফলক হিসেবে থেকে যাবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম। সংস্থার কাজ ও ব্যপ্তিই সেই মাইলফলক তৈরি করে দিয়েছে। দীর্ঘ ন’দশকের পথ চলার সেই আখ্যানকে স্মরণীয় করে তোলার জন্য নতুন উদ্যোগ নিয়ে এই সংস্থা। গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা লালা ধর্মপালের দূরদর্শীতা ও অধ্যবসায়কে সঙ্গী করেই সংস্থা তাদের প্রথম এনএফটি চালু করেছে।

এই বিশেষ মুহূর্তকে স্মরণে রেখে, প্রতিষ্ঠাতাদের শ্রদ্ধা জানাতে তৈরি করা হয়েছে একটি স্মারক। যেখানে ৯৩টি ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। যে ছবিগুলি প্রতিষ্ঠাতাদের ছোট ছোট কাহিনীগুলিকে চিহ্নিত করে। যে বিন্দু মিলিয়ে মহাসাগরে পরিণত হয়েছে আজকের ডিএস গ্রুপ।

পুরনো দিল্লির চাঁদনি চকে একটি সুগন্ধির দোকান থেকে পথ চলা শুরু করেছিলেন লালা ধর্মপাল। বলা যায়, সেই দোকানই ছিল ডিএস গ্রুপের ভিত্তি প্রস্তর। তাঁর পদাঙ্ক অনুসরণ করেই, পুত্র শ্রী সত্যপাল ব্যবসার সম্প্রসারণ করেন। আজকের ‘ডি এস গ্রুপ’-এর জন্মদিন সেই ছোট উদ্যোগেরই উদযাপন।

“এক কোটি রূপকের মধ্যে বাঁচে একটি স্বপ্ন” এই শিরোনামের সঙ্গে আনা হয়েছে এনএফটি । যেটি গ্রুপের একটি মাইক্রোসাইটের মাধ্যমে এর বিস্তৃতির ঐতিহাসিক মুহূর্তগুলিকে জীবন্ত করেছে। এই এনএফটি আসলে সংস্থার বৃহত্তর প্রতিকৃতি প্রকাশ বলা যেতে পারে।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভারতবাসীকে একাধিক মনোমুগ্ধকর ব্র্যান্ডের সঙ্গে পরিচয় করেছে ডিএস গ্রুপ। এর মধ্যে রয়েছে রজনীগন্ধা, ক্যাচ, পালস, পাস পাস, তুলসি, রজনীগন্ধা সিলভার পার্লস, বার্থরাইট, বাবা , ক্ষীর ইত্যাদি। নৈতিকতা এবং মূল্যবোধের জন্যই ডিএস গ্রুপ The Manu Maharani, Namah, Uncafe, Le Marche এবং L'Opera মতো ব্র্যান্ডের সূচনা করেছে। ৯৩ তম প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে, ডিএস গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান রাজীব কুমার বলেন, “আমাদের প্রতিষ্ঠাতা পিতাদের সংগঠনের প্রতি যে দৃষ্টিভঙ্গি ছিল সেটাই আমাদের পাথেয়। তাঁদের উদ্ভাবন এবং গুণমানের অন্বেষণ, আমাদের কাছে আদর্শের সমান - যা আমরা গ্রহণ করেছি এবং তা প্রতিনিয়ত মেনে চলার চেষ্টা করি। প্রযুক্তিগত উন্নতির সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে এগিয়ে চলি। আধুনিক প্রযুক্তির অন্বেষণে আমরা সবার প্রথম থাকতে চাই। এনএফটি প্রযুক্তিতে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটিয়েছে। সংস্থার ৯৩তম জন্মদিনে এই এনএফটি আমাদের প্রতিষ্ঠাতাদের দ্বারা নির্মিত উত্তরাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা ।”

এটি একটি স্পনসর্ড প্রতিবেদন এবং ‘ডিএস’ গ্রুপের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:

Share this article

CLOSE
Popup Close
Something isn't right! Please refresh.