Advertisement
E-Paper

প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকেও কেন পরিচয় প্রমাণের জন্য এসআইআর-এর নোটিস? বিতর্কের মাঝে এ বার ব্যাখ্যা কমিশনের

প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকে নোটিস পাঠানোর কথা ছড়িয়ে পড়তেই সমালোচনা শুরু হয় বিভিন্ন মহলে। সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরাও এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এ বার তা নিয়ে ব্যাখ্যা দিল কমিশন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:২২
প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অরুণ প্রকাশ।

প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অরুণ প্রকাশ। —ফাইল চিত্র।

প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অরুণ প্রকাশকে শুনানির নোটিস পাঠানো নিয়ে এ বার ব্যাখ্যা দিল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের দাবি, প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অরুণ এনুমারেশন ফর্মে সব তথ্য উল্লেখ করেননি। গত এসআইআর-এর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনও তথ্যই পূরণ করেননি তিনি। সেই কারণেই তাঁকে শুনানির জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানাল কমিশন।

১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময়ে অবসরপ্রাপ্ত অ্যাডমিরাল অরুণের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওই যুদ্ধে অনবদ্য ভূমিকার জন্য বীরচক্র সম্মানও দেওয়া হয় তাঁকে। প্রায় ২০ বছর আগে নৌসেনা থেকে অবসর নেন তিনি। এখন বয়স ৮২ বছর। পরিবারের সঙ্গে থাকছেন গোয়াতে। এসআইআর-এর শুনানির জন্য তাঁকে নোটিস পাঠানোর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে রবিবারই। প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান নিজেই সমাজমাধ্যমে জানান সে কথা। আরও জানান, বাড়ি থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরের এক শুনানিকেন্দ্রে ডাকা হয় অবসরপ্রাপ্ত অ্যাডমিরাল এবং তাঁর স্ত্রীকে।

ওই খবর ছড়িয়ে পড়তেই কমিশনের সমালোচনা শুরু হয় বিভিন্ন মহলে। সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরাও এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বীরচক্র সম্মান প্রাপ্ত ভারতের প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকে কেন আবার নিজের পরিচয় প্রমাণ করতে হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে থাকে। এই বিতর্কের মাঝে সোমবার ব্যাখ্যা দিল নির্বাচন কমিশন।

ওই এলাকার ইআরও মেডোরা এরমোমিল্লা ডি’কোস্টা জানান, এসআইআর চলাকালীন করতালিম বিধানসভা কেন্দ্রের ৪৩ নম্বর বুথের বিএলও গিয়ে অরুণ প্রকাশের ফর্ম গ্রহণ করেন। ওই এনুমারেশন ফর্মে গত এসআইআর সংক্রান্ত বাধ্যতামূলক কিছু তথ্য— যেমন ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, আত্মীয়ের নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম এবং নম্বর, অংশ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বর উল্লেখ ছিল না। বিএলএ অ্যাপ স্বয়ংক্রিয় ভাবে এনুমারেশন ফর্ম এবং ভোটার তালিকার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। কিন্তু শনাক্তকরণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাবে তা সম্ভব হয়নি। গত এসআইআর সংক্রান্ত সকল তথ্য ফাঁকা থাকার কারণে সিস্টেমে ওই ফর্মটিকে ‘আনম্যাপ্‌ড’ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়।

কমিশনের তরফে আরও জানানো হয়, তথ্য সঠিক ভাবে পূরণ করা থাকলে, তবেই ফর্মগুলি স্বয়ংক্রিয় ভাবে ‘ম্যাপ’ হয়ে যায়। বিএলও অ্যাপটি এমন ভাবেই তৈরি করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে এনুমারেশন ফর্মগুলি ‘আনম্যাপ্ড’ থেকে যাচ্ছে, সেখানে তথ্য যাচাইয়ের জন্য শুনানিতে ডেকে পাঠানো হচ্ছে। কমিশনের দাবি, সেই কারণে স্বয়ংক্রিয় ভাবেই শুনানির নোটিস জারি করা হয়েছিল।

SIR Election Commission
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy