নাবালিকাকে ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত তিনি। পুলিশ কনস্টেবল হিসাবে কাজ করতেন। তবে ধর্ষণ মামলায় নাম জড়াতেই তাঁকে সাসপেন্ড করে রাজস্থান পুলিশ। কিন্তু ধরা যায়নি। তাঁর খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি করা হলেও খোঁজ মেলেনি। অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়লেন সাসপেন্ড হওয়া ওই কনস্টেবল। উত্তর প্রদেশের বৃন্দাবন থেকে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। তবে পুলিশের চোখে ধুলো দিতে মহিলা বেশে ছিলেন। তাঁর পরনে ছিল বোরখা, ঠোঁটে লিপস্টিক!
গত ১৫ ডিসেম্বর ১৬ বছর বয়সি এক কিশোরীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠে ওই কনস্টেবলের বিরুদ্ধে। পুলিশ সুপার বিকাশ সাংওয়ান জানান, চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই কিশোরী এবং তার ভাইকে নিজের বাড়িতে ডেকে পাঠান অভিযুক্ত। তারা যখন অভিযুক্তের বাড়ি যায়, তখন সেখানে অন্য কেউ ছিলেন না। কিশোরীর ভাইকে কিছু আনতে বাজারে পাঠিয়ে দেন অভিযুক্ত। অভিযোগ, ফাঁকা বাড়ির সুযোগ নিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ করেন!
নির্যাতিতার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। কিন্তু তত ক্ষণে অভিযুক্ত বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান। পুলিশের মতে, গ্রেফতারি এড়াতে বার বার নানা ছদ্মবেশ নিয়েছিলেন অভিযুক্ত। অগরা, লখনউ, গ্বালিয়রে তাঁর উপস্থিতি শনাক্ত করে পুলিশ। তবে তাঁকে ধরতে সেই সব জায়গায় পৌঁছোনোর আগেই পালিয়ে যান অভিযুক্ত।
আরও পড়ুন:
পুলিশ নাছোড়বান্দা ছিল। অভিযুক্তকে পাকড়াও করতে বিভিন্ন দিকে জাল বিছায় তারা। বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশির পর বৃন্দাবন থেকে গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তকে। এই ধর্ষণের অভিযোগই প্রথম নয়। নানা সময়ে বিভিন্ন যৌন অপরাধে নাম জড়িয়েছিল তাঁর। তবে এক বার তিনি গ্রেফতার হননি। অবশেষে গ্রেফতার করা হল ওই কনস্টেবলকে।