Advertisement
E-Paper

অসমে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, নাম উঠল আড়াই কোটির, বাদ পড়লেন কত জন?

মঙ্গলবার অসমের ১২৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটারদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। ২৭ ডিসেম্বরে খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। ২২ নভেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত তথ্য যাচাইয়ের কাজ হয়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:৩৪
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

অসমে বিশেষ সংশোধন (স্পেশ্যাল রিভিশন)-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। তালিকায় ২ কোটি ৪৯ লক্ষ ভোটারের নাম রয়েছে। যা খসড়া তালিকা থেকে ০.৯৭ শতাংশ কম। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, খসড়া তালিকা থেকে ২.৪৩ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানিয়েছেন, খসড়া তালিকায় ২ কোটি ৫২ লক্ষ ১ হাজার ৬২৪ জন ভোটারের নাম ছিল। চূড়ান্ত তালিকায় তার থেকে বাদ পড়েছেন ২.৪৩ লক্ষ ভোটার। বিশেষ সংশোধনের পর চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ভোটারের সংখ্যা ২ কোটি ৪৯ লক্ষ ৫৮ হাজার ১৩৯।

মঙ্গলবার অসমের ১২৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটারদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। ২৭ ডিসেম্বরে খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। ২২ নভেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত তথ্য যাচাইয়ের কাজ করে কমিশন। তার পর ২৭ ডিসেম্বর খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়। কমিশনের তথ্য বলছে, চূড়ান্ত তালিকায় পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ১ কোটি ২৪ লক্ষ ৮২ হাজার ২১৩। মহিলা ভোটার ১ কোটি ২৪ লক্ষ ৭৫ হাজার ৫৮৩ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার সংখ্যা ৩৪৩।

মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে অসমের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর জানিয়েছে, ২২ নভেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া শেষে ২৭ ডিসেম্বর খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ২৭ ডিসেম্বর থেকে ২২ জানুয়ারির মধ্যে তালিকা এবং ভোটার সংক্রান্ত যাবতীয় অভিযোগ এবং দাবি খতিয়ে দেখা হয়েছে। তার পরই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হল।

প্রসঙ্গত, পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন আসন্ন। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, পুদুচেরি, কেরলে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর চলছে। ওই পাঁচ রাজ্যের মধ্যে এসআইআর হয়নি শুধু অসমে। তার পরিবর্তে হয়েছে বিশেষ সংশোধন বা এসআর। এই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগে কমিশন জানিয়েছিল, সাধারণত ভোটার তালিকার সংশোধনের কাজ দু’রকম ভাবে হয়। একটি বার্ষিক প্রক্রিয়া রয়েছে। আর অন্যটি হল এসআইআর। কিন্তু অসমে যেটা হবে, তা বার্ষিক সংশোধন প্রক্রিয়ার মতো ঢিলেঢালা নয়। আবার এসআইআর-এর মতো নিবিড়ও নয়। এই দুই প্রক্রিয়ার একটা মাঝামাঝি ব্যবস্থা বলা যায়। এই প্রক্রিয়াতেও এসআইআর-এর মতো বুথ লেভেল অফিসারেরা (বিএলও) ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যাবেন। কিন্তু কাউকেই নতুন এনুমারেশন ফর্ম দেওয়া হবে না। বরং, বিএলও-রা যে ফর্ম নিয়ে বাড়ি বাড়ি যাবেন, তা আগে থেকেই পূরণ করা থাকবে। তা শুধু মিলিয়ে দেখা হবে এই প্রক্রিয়ায়।

কেন অসমে এসআইআর হচ্ছে না, তা নিয়ে দ্বিতীয় দফায় এসআইআর ঘোষণার সময় থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। বিতর্কের মাঝে ব্যাখ্যাও দিয়েছিল কমিশন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বক্তব্য ছিল, ভারতীয় নাগরিকত্ব আইনে অসম রাজ্যের জন্য আলাদা ধারা রয়েছে। জ্ঞানেশ ওই সময়ে আরও বলেন, ‘‘সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে অসমে নাগরিকত্বের যাচাইকরণ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আর গোটা দেশের জন্য এসআইআর সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি যেহেতু ২৪ জুন প্রকাশ করা হয়েছে, সেই কারণে অসমে তা প্রযোজ্য নয়।” পরে অসমে পৃথক ভাবে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন করার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।

Assam Election Commission
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy