Advertisement
E-Paper

শহিদুলের উত্তরসূরি খুঁজছে আলগাপুর

প্রয়াত শহিদুল আলম চৌধুরীর যোগ্য উত্তরসূরি কে? বিধানসভা ভোটের প্রচারে একই প্রশ্নের ভিন্ন জবাব দিচ্ছেন আলগাপুরের প্রার্থীরা। প্রত্যেকেই নিজেকে প্রয়াত ওই নেতার যোগ্য উত্তরসূরি বলে দাবি করছেন।

অমিত দাস

শেষ আপডেট: ৩০ মার্চ ২০১৬ ০১:৩৩

প্রয়াত শহিদুল আলম চৌধুরীর যোগ্য উত্তরসূরি কে?

বিধানসভা ভোটের প্রচারে একই প্রশ্নের ভিন্ন জবাব দিচ্ছেন আলগাপুরের প্রার্থীরা। প্রত্যেকেই নিজেকে প্রয়াত ওই নেতার যোগ্য উত্তরসূরি বলে দাবি করছেন। সেই কথা বলে ভোটও চাইছেন। শহিদুলের অসমাপ্ত কাজ শেষ করার প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছেন সকলে।

পাঁচ বার ভোটে লড়ে চার বার জিতেছিলেন শহিদুল। তিনি অসমের আঞ্চলিক রাজনীতির প্রথম শ্রেণির নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। প্রফুল্ল মহন্তের মন্ত্রিসভায় দু’বার মন্ত্রীও হন। ১৯৮৫ সালে অসম আন্দোলনের পরবর্তী নির্বাচনে নির্দল হিসেবে আলগাপুর কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন শহিদুল। সেই সময় অসমে অগপ সরকার গঠিত হলে তিনি তাতে সামিল হয়ে মন্ত্রী হন। ১৯৯৬ সালেও তিনি অগপ সরকারের মন্ত্রিসভায় যোগ দিয়েছিলেন।

শহিদুল আলমের আমলে ১৯৮৯ সালে হাইলাকান্দি মহকুমা থেকে জেলায় উন্নীত হয়েছিল। সেই সময় আলগাপুর এলাকায় কয়েকটি স্কুল, কলেজ তৈরি হয়েছিল। ১৯৮৫ সাল থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বিধায়ক ছিলেন শহিদুল। ২০০৬ সালের বিধানসভা ভোটে তিনি কংগ্রেস প্রার্থী রাহুল রায়ের কাছে পরাজিত হন। অবশ্য ২০১১ সালের নির্বাচনে রাহুলবাবুকে হারিয়ে ফের ওই আসন দখল করেন। ২০১১ সালে শহিদুলের অকাল-প্রয়াণের পর ওই কেন্দ্রে উপ-নির্বাচন করা হয়। তাতে জয়ী হন গৌতম রায়ের স্ত্রী মন্দিরাদেবী। এআইইউডিএফ প্রার্থী মেহেবুবুল হাসানকে পরাজিত করেন তিনি।

এ বারের বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থীদের প্রচারে ফের ফিরে এসেছে প্রয়াত শহিদুলের প্রসঙ্গ। ভোটযুদ্ধের ময়দানে রয়েছেন শহিদুলের মেয়ে তথা অগপ প্রার্থী মেহেনাজ সাইদ চৌধুরী। তিনি শহিদুলের উত্তরসূরি হিসেবেই প্রচার চালাচ্ছেন। কিন্তু বিরোধীরা মেহেনাজের কথায় গুরুত্ব দিতে নারাজ। আলগাপুরের কংগ্রেস প্রার্থী রাহুল রায় মনোনয়ন দাখিলের দিন বলেছিলেন, ‘‘আমিই প্রয়াত শহিদুল আলম চৌধুরীর যোগ্য উত্তরসূরি। ভোটে জিতে তাঁর অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে চাই।’’ তাই তাঁকে সুযোগ দেওয়ার জন্য তিনি আলগাপুরবাসীর কাছে আর্জি রেখেছিলেন। এআইইউডিএফ প্রার্থী নিজামউদ্দিন লস্করও নিজেকে প্রয়াত শহিদুলের উত্তরসূরি বলে দাবি করছেন।

এ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে আলগাপুরে। ভোটারদের অনেকেই এতে অসন্তুষ্ট। আলগাপুরের বাসিন্দাদের অনেকেই বলছেন— শহিদুল আলম জননেতা ছিলেন। মানুষ তাঁকে শ্রদ্ধা করে। কিন্তু এখন কিছু লোক নিজেদের স্বার্থে প্রয়াত শহিদুল আলমের নাম ভাঙিয়ে ফায়দা তোলার চেষ্টা করছেন। যদি তাঁরা সত্যিই শহিদুলের উত্তরসূরি হতেন, তা হলে এত দিন তাঁরা প্রয়াত নেতার অসমাপ্ত কাজ করতে তৎপর হতেন।

state election assembly 2016
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy