Advertisement
০৩ অক্টোবর ২০২২
Amarinder Singh

Punjab Congress: টালমাটাল পঞ্জাব কংগ্রেস, এ বার সিধুর ‘মানসিক স্থিতি’ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অমরেন্দ্র

কংগ্রেস সূত্রে খবর, সিধুকে এখনও বোঝানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু তিনি সোমবার রাত থেকে কারও ফোন ধরছেন না। পাটিয়ালায় নিজের বাড়িতে রয়েছেন তিনি।

সিধুকে ফের কটাক্ষ অমরেন্দ্রর

সিধুকে ফের কটাক্ষ অমরেন্দ্রর ফাইল চিত্র।

সংবাদ সংস্থা
চণ্ডীগড় শেষ আপডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১০:০৮
Share: Save:

পঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অমরেন্দ্র সিংহ ও পঞ্জাব কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি নভজ্যোৎ সিংহ সিধুর বিবাদের জেরে টালমাটাল অবস্থা দলের। দু’জনেই নিজেদের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। তার পরেও অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগের পালা চলছে। এ বার সিধুর মানসিক স্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অমরেন্দ্র।
সিধু পঞ্জাব কংগ্রেসের সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পরে অমরেন্দ্র টুইট করে বলেন, ‘আমি আগেই বলেছিলাম ওঁর (পড়ুন সিধুর) মানসিক স্থিরতা নেই এবং পঞ্জাবের জন্য উনি কোনও ভাবেই উপযুক্ত নন।’ সিধু কখনওই দল হিসাবে কাজ করতে পারেন না বলেও কটাক্ষ করেছেন অমরেন্দ্র। এই প্রসঙ্গে সিধুর খেলোয়াড় জীবনের প্রসঙ্গও টেনে আনেন তিনি। অমরেন্দ্র বলেন, ‘‘এটাই সিধুর আসল চরিত্র। আমি ছো়ট থেকেই এই ছেলেটাকে চিনি। সিধু সব সময় একা থাকতে পছন্দ করেন। উনি কখনও দল হিসাবে কাজ করতে পারেন না।’’

সিধুর সিদ্ধান্ত প্রবল অস্বস্তিতে ফেলেছে রাহুল ও প্রিয়ঙ্কা গাঁধীকে। তাঁরা সিধুকে প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি করেছেন মাত্র দু’মাস হল। তাঁর দাবি মেনে অমরেন্দ্রকে সরিয়ে চরণজিৎ সিংহ চন্নীকে সবে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছে। মাত্র চার মাস পরে পঞ্জাবে বিধানসভা ভোট। এই পরিস্থিতিতে সিধু কেন আচমকা পদত্যাগ করলেন, তা নিয়ে তিনি মুখ খোলেননি। তবে তাঁর এই সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে অস্বস্তিতে ফেলেছে কংগ্রেস নেতৃত্বকে।

কংগ্রেস সূত্রে খবর, সিধুকে এখনও বোঝানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু তিনি সোমবার রাত থেকে কারও ফোন ধরছেন না। পাটিয়ালায় নিজের বাড়িতে রয়েছেন তিনি। নিজেদের মধ্যে কথা বলে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করার জন্য রাজ্য নেতৃত্বকে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে কংগ্রেস নেতৃত্বের তরফে।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement
Advertisement

Share this article

CLOSE
Popup Close
Something isn't right! Please refresh.