মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের ভগীরথপুরা অঞ্চলে জলবাহিত রোগকে‘মহামারি’ ঘোষণা করল সে রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রশাসন। একই সঙ্গে কেন্দ্র ও রাজ্যের বিশেষজ্ঞ দলকে জল দূষণের উৎস খুঁজে বার করার দায়িত্ব দিয়েছে তারা। সেই উৎস একটি নাকি একাধিক, তা-ও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। এই সংক্রমণে এখনও পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা নিয়ে চলছে রাজনৈতিক তরজা। আজ আরও অন্তত ২০ জনকে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য দিকে, গুজরাতের গান্ধীনগরে টাইফয়েডের ঘটনায় সক্রিয় হলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কর্তৃপক্ষকে দ্রুততার সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
আজ মধ্যপ্রদেশের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক মাধব হাসানি বলেন, ‘‘একটি নির্দিষ্ট এলাকায় রোগে স্বাভাবিকের থেকে বেশি সংখ্যায় মানুষ আক্রান্ত হলে মহামারি তকমা দেওয়া হয়। এখন আমরাতেমনটা ধরেই পদক্ষেপ করছি। বিশেষজ্ঞ দল এখন আমাদের সমীক্ষায় পাওয়া তথ্য খতিয়ে দেখছে। তার পরেই বোঝা যাবে রোগের উৎস কী।’’ গতকাল জেলাশাসকের নেতৃত্বে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। সেখানে ছিলেন আইসিএমআর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনের (কলকাতা) গবেষক প্রমিত ঘোষ ও গৌতম চৌধুরী এবং ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজ়িজ় কন্ট্রোল (এনসিডিসি) এবং রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিনিধিরা। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ভগীরথপুরায় ২৩৫৪টি পরিবারের ৯৪১৬ জন সদস্যের শারীরিক পরীক্ষা হয়েছে। তার ভিত্তিতে দফায় দফায় ৩৯৮ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে কয়েক দফায়। এর মধ্যে গত এক দিনে ভর্তি হয়েছেন ২০ জন।
অন্য দিকে, গান্ধীনগরের সেক্টর-২৪ ও ২৮ এবং আদিওয়াড়াএলাকায় পাইপে ছিদ্রের ফলে জল দূষিত হয়ে অন্তত ১০০ জন অসুস্থ হয়েছেন। তাঁরা টাইফয়েডে আক্রান্ত বলে আশঙ্কা। শাহের নির্দেশ, অসুস্থদের চিকিৎসার পাশাপাশি দ্রুত পাইপের মেরামতির কাজ সারতে হবে। ওই এলাকা তাঁর লোকসভা কেন্দ্রে পড়ে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)