মহাকাশে দেশের কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানো কিংবা বিভিন্ন গ্রহে অভিযানের নেপথ্যে রয়েছে ইসরো। ওই গবেষণাকেন্দ্রের অধীনস্থ বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারের তরফে মহাকাশ অভিযানের জন্য কেমন বিশেষজ্ঞদের প্রয়োজন হয়, কী কাজ করতে হয়— তা শেখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। স্বল্পসময়ের ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে বাছাই করা পড়ুয়াদের ওই বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি শাখার বিষয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর স্তরে পাঠরতদের ওই বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পিএইচডি কোর্সের পড়ুয়ারাও ওই কাজ শেখার সুযোগ পাবেন। তবে এ ক্ষেত্রে রয়েছে কিছু শর্ত।
১। পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, এরোনটিক্যাল, এরোস্পেস, অ্যাপ্লায়েড ইলেকট্রনিক্স, অ্যাপ্লায়েড ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইনস্ট্রুমেন্টেশন, কেমিক্যাল, সিভিল, মেকানিক্যাল, কম্পিউটার সায়েন্স, ইনস্ট্রুমেন্টেশন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল, পলিমার সায়েন্স, মেটিরিয়াল, ইঞ্জিনিয়ারিং ফিজ়িক্স বিষয়ে স্নাতক স্তরের চতুর্থ সেমেস্টারের পাঠরতদের সুযোগ দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন:
২। সংশ্লিষ্ট ইন্টার্নশিপে উল্লিখিত বিষয়ে স্নাতকোত্তর স্তরে পাঠরত প্রথম সেমেস্টারের পড়ুয়ারা সুযোগ পাবেন। তবে, যাঁরা অ্যাটমোস্ফেরিক সায়েন্স, মেটিরিয়োলজি, ওশানোগ্রাফি, স্পেস ফিজ়িক্স, স্পেস সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ডেটা সায়েন্স, ডেটা অ্যানালিটিক্স-এর মতো বিষয় নিয়ে স্নাতকোত্তর স্তরের প্রথম সেমেস্টারে পড়াশোনা করছেন, তাঁদের আবেদনও গৃহীত হবে।
৩। উল্লিখিত বিষয়ে পিএইচডি-র ‘কোর্স ওয়ার্ক’ (অর্থাৎ রিসার্চ মেথডোলজি অ্যান্ড এথিক্স-এর বিষয়ে জ্ঞান অর্জন এবং গবেষণার জন্য বিশেষ বিষয় বাছাই করা) সম্পূর্ণ হয়েছে, তাঁরা ইন্টার্নশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
ইন্টার্নশিপের সময়:
স্নাতকের পড়ুয়ারা ৪৫ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করতে পারবেন। স্নাতকোত্তর স্তরের পড়ুয়ারা পাবেন ১২০ থেকে ১৮০ দিন পর্যন্ত সময়। পিএইচডি-র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৩০ দিন থেকে ১ বছর পর্যন্ত প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুযোগ থাকছে। তবে, প্রার্থীদের স্নাতক, স্নাতকোত্তর স্তরের পরীক্ষায় ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর থাকা প্রয়োজন। এ ছাড়াও ইন্টার্নশিপ চলাকালীন পড়ুয়ারা কোনও ভাতা পাবেন না।
আবেদন সংক্রান্ত শর্ত:
অনলাইনে প্রার্থীরা আবেদনের সুযোগ পাবেন। ১৬ মার্চ পর্যন্ত আবেদনের পোর্টাল চালু থাকছে। আবেদন যাচাই করার পর ই-মেল মারফত যোগদান সম্পর্কিত তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে।