নিটের প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে পরিবারের তিন সদস্যকে আগেই গ্রেফতার করেছে সিবিআই। এ বার ওই পরিবারেরই আরও এক সদস্য তদন্তকারীদের নজরে। সূত্রের খবর, নিটের প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় যখন তল্লাশি অভিযান শুরু হয় দেশ জুড়ে, তার দু’এক দিন আগে থেকেই মেডিক্যাল কলেজে যাওয়া বন্ধ করেন তরুণী। আর এখান থেকেই সন্দেহ আরও জোরালো হচ্ছে।
ঘটনাচক্রে, প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে প্রথম রাজস্থানের বিওয়াল পরিবারের নাম উঠে আসে। তার পর এক এক করে তিন জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতেরা হলেন দীনেশ, মাঙ্গিলাল এবং দীনেশের ভাইপো বিকাশ। তদন্ত যত এগিয়েছে দেখা গিয়েছে, এই পরিবারেরই পাঁচ সদস্য ২০২৫ সালে একসঙ্গে নিট পাশ করেন। শুধু তা-ই নয়, সকলেই বিভিন্ন সরকারি মেডিক্যাল কলেজে সুযোগও পান। অথচ দেখা গিয়েছে, প্রত্যেকের দ্বাদশের প্রাপ্ত নম্বর খুব সাধারণ মানের। এ বছরের নিটকাণ্ডে বিওয়াল পরিবারের সদস্যদের নাম উঠে আসায়, ২০২৫ সালে কী ভাবে ওই পরিবারের পাঁচ সদস্য একসঙ্গে পাশ করলেন, সেই বিষয়টিও তদন্তকারীদের আতশকাচের তলায় এসে গিয়েছে।
ঘটনাচক্রে, বিওয়াল পরিবারে আরও এক সদস্যেরও নাম উঠে এসেছে। সূত্রের খবর, বিওয়াল পরিবারের ওই তরুণী জয়পুরের এসএমএস মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তারি পড়ছেন। কিন্তু গত কয়েক দিন ধরেই ওই তরুণী মেডিক্যাল কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন। এ ছাড়াও ওই পরিবারেরই আরও এক সদস্য দৌসা মেডিক্যাল কলেজে পড়েন। পরিবারের তিন সদস্য গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে তিনিও কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দেন। সিবিআই সম্প্রতি বিওয়ালদের জয়পুরের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালায়। সেখান থেকে বেশি কিছু নথি এবং তথ্য সংগ্রহ করে। তদন্তকারীরা বিওয়াল পরিবারের আর্থিক লেনদেন, কাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন ইত্যাদি খতিয়ে দেখছেন। বিওয়াল পরিবার প্রশ্ন ফাঁসের সিন্ডিকেট চালাতেন বলেও সন্দেহ তদন্তকারীদের।