বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে হারিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা দখল করেছে বিজেপি। পদ্মশিবির কুর্সি পাওয়ায় এই রাজ্যে ধীরে ধীরে চালু হচ্ছে যাবতীয় কেন্দ্রীয় প্রকল্প। এর মধ্যে অন্যতম হল পিএম কিসান বা প্রধানমন্ত্রী কিসান সম্মান নিধি যোজনা। এতে কী ভাবে আবেদন করবেন বাংলার চাষিরা? লাগবে কী কী তথ্য? আনন্দবাজার ডট কম-এর এই প্রতিবেদনে রইল তার হদিস।
২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর পিএম কিসান চালু করে কেন্দ্র। সংশ্লিষ্ট প্রকল্পটিতে কৃষকদের বছরে মোট ৬,০০০ টাকা আর্থিক সাহায্য দিয়ে থাকে নরেন্দ্র মোদী সরকার। ২,০০০ টাকা করে মোট তিনটি কিস্তিতে চাষিদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি আসে সেই টাকা। তিনটি কিস্তির সময়সীমা হল এপ্রিল থেকে জুলাই, অগস্ট থেকে নভেম্বর এবং ডিসেম্বর থেকে মার্চ।
আরও পড়ুন:
পিএম কিসানের আর্থিক সুবিধা পাওয়ার বেশ কিছু যোগ্যতা রয়েছে। সরকারের ভূমি রাজস্ব দফতরের রেকর্ড অনুযায়ী আবেদনকারীর অবশ্যই চাষযোগ্য জমি থাকতে হবে। তবে কোনও প্রাতিষ্ঠানিক ভূমিমালিক এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। তা ছাড়া নিম্ন অর্থনৈতিক অবস্থায় থাকা চাষিদের পিএম কিসান দিচ্ছে কেন্দ্র। উচ্চ আয়ের কৃষকেরা এর যোগ্য নন।
উল্লেখ্য, আবেদনকারী চাষি কর্মরত বা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী হতে পারেন। তবে তাঁর মাসিক বেতন বা পেনশনের অঙ্ক ১০,০০০ টাকা বা তার বেশি হলে মিলবে না পিএম কিসানের সুবিধা। পাশাপাশি, পেশাদার করদাতাদের এই প্রকল্পের আওতার বাইরে রেখেছে সরকার।
আরও পড়ুন:
এগুলি বাদ দিলে আবেদনকারীকে অবশ্যই ভারতের নাগরিক হতে হবে। থাকতে হবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও আধার কার্ড। আবেদনের সময় বায়োমেট্রিক যাচাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ই-কেওয়াইসি দিতে হবে তাঁকে। এ ক্ষেত্রে জমির মালিকানার যাবতীয় নথি জমা করাও বাধ্যতামূলক।
ঘরে বসে এই প্রকল্পে আবেদনের জন্য একটি পোর্টাল চালু রেখেছে কেন্দ্র। সেখানে লগ ইন করে নিজের নাম নথিভুক্ত করতে পারেন আবেদনকারী চাষি। তা ছাড়া ভূমি রাজস্ব দফতরের মাধ্যমেও পিএম কিসানের রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন তাঁরা।