E-Paper

বাংলাদেশের সেনাকর্তার পাক সফরে নজর দিল্লির

নয়াদিল্লি মনে করছে, দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসবাদ সংশ্লিষ্ট অভিযোগে বিতর্কিত রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত পাকিস্তান-এর সঙ্গে গোয়েন্দা পর্যায়ের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের কারণ কী তা চিন্তার অবকাশ রাখে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৬ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:১২

—প্রতীকী চিত্র।

বাংলাদেশের গণহত্যা দিবসে দেওয়া বিবৃতিতে পাকিস্তানের নাম করেছিলেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নয়াদিল্লি বিষয়টি নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্যও করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত সে দেশের দূতাবাসে উপস্থিত ছিলেন মোদী সরকারের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী এবং বিদেশসচিব। বিএনপি সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের এই ঊর্ধ্বগতির মধ্যেই সেবা তীর্থের (সাউথ ব্লক) রক্তচাপ বাড়িয়ে বাংলাদেশের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরীর সম্প্রতি দুই দিনের ইসলামাবাদ সফরের খবর। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, তিনি সম্প্রতি থাই এয়ারওয়েস এর একটি ফ্লাইটে ব্যাঙ্কক হয়ে ইসলামাবাদে পৌঁছন। অর্থাৎ, তার ভ্রমণ রুট ছিল ঢাকা–ব্যাঙ্কক–ইসলামাবাদ। তাঁর সঙ্গে ডিজিএফআই-এর আরও তিনজন কর্মকর্তা রয়েছেন।

নয়াদিল্লি মনে করছে, দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসবাদ সংশ্লিষ্ট অভিযোগে বিতর্কিত রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত পাকিস্তান-এর সঙ্গে গোয়েন্দা পর্যায়ের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের কারণ কী তা চিন্তার অবকাশ রাখে। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, সফরকালে তিনি পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর অফিসারদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ঠিক এক মাস আগেই এই কায়সারই নয়াদিল্লি সফরে ভারতের নিরাপত্তা আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। জানা গিয়েছিল, তিনি বৈঠক করেছিলেন ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর প্রধান পরাগ জৈন এবং সামরিক গোয়েন্দা প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আর এস রামনের সঙ্গে। একে অন্যের দেশের মাটিকে ব্যবহার করে যেন কোনও নাশকতাকে প্রশ্রয় দেওয়া না হয়, সে বিষয়ে দু’পক্ষই একমত হয়।

তার স্বল্প ব্যবধানে পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠককে ‘কৌশলগত ভারসাম্য’ হিসেবে চিহ্নিত করলেও বিষয়টিকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ দ্বৈততা’ হিসেবে ব্যাখ্যাও করছে একটি অংশ। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, পাকিস্তানের সঙ্গে গোয়েন্দা পর্যায়ে সম্পর্ক জোরদার হলে তা আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোয় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে, যদি এই সম্পর্কের মাধ্যমে কোনও স্পর্শকাতর তথ্য বিনিময় বা সমন্বয় হয়, তবে তা প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে বাংলাদেশের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ণ করতে পারে। তবে একটি অংশের মত, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আলোচনা ও যোগাযোগ বজায় রাখাই কাম্য। বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের তরফে অবশ্য এখনও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

কেজরীর সওয়াল

নয়াদিল্লি, ৫ এপ্রিল: দিল্লির আবগারি দুর্নীতি মামলায় অরবিন্দ কেজরীওয়াল, মণীশ সিসৌদিয়াদের রেহাইয়ের বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের মামলার আগামীকাল দিল্লি হাই কোর্টে শুনানি হওয়ার কথা। পক্ষপাতের আশঙ্কা করে বিচারপতি স্বর্ণকান্ত শর্মার এজলাস থেকে মামলাটি সরানোর আর্জি জানিয়েছেন কেজরীওয়াল। আপ সূত্রের খবর, আগামী কাল তিনি নিজেই সওয়াল করবেন।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Diplomacy India Pakistan

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy