Advertisement
E-Paper

খুন নয়, আত্মহত্যাই করেছেন ত্বিশা! ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর জানাল পুলিশ, তবে উড়িয়ে দিল শাশুড়ির দাবি

নয়ডার বাসিন্দা ত্বিশা। তবে বিবাহসূত্রে থাকতেন ভোপালে। গত ১২ মে ভোপালের কাটরা হিল্‌স এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ত্বিশার ঝুলন্ত দেহ।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২০ মে ২০২৬ ০৯:০৯
Bhopal\\\\\\\'s police commissioner comments on probe into Twisha Sharma\\\\\\\'s death case

ত্বিশা শর্মা। —ফাইল ছবি।

ভোপালের ত্বিশা শর্মাকে খুন করা হয়েছে, না কি আত্মহত্যা করেছেন? তাঁর বাবা-মার অভিযোগ, তাঁদের কন্যাকে তাঁর শাশুড়ি এবং স্বামী মিলে খুন করেছেন। যদিও তদন্তের এই পর্যায়ে এসে পুলিশ মনে করছে, খুন নয়, আত্মহত্যাই করেছেন ত্বিশা! তবে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়া হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। একই সঙ্গে পুলিশ এ-ও জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ত্বিশার শরীরে কোনও মাদকের হদিস মেলেনি।

ভোপালের পুলিশ কমিশনার সঞ্জয় কুমার এনডিটিভি-কে বলেন, ‘‘ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং আমাদের সংগৃহীত অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ থেকে আমরা এখনও পর্যন্ত জানতে পেরেছি, এটা হত্যা নয়, আত্মহত্যাই।’’ তিনি জানান, গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হওয়ার ঘটনারই প্রমাণ মিলেছে।

নয়ডার বাসিন্দা ত্বিশা। তবে বিবাহসূত্রে থাকতেন ভোপালে। গত ১২ মে ভোপালের কাটরা হিল্‌স এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ত্বিশার ঝুলন্ত দেহ। ত্বিশার বাপের বাড়ির পরিবারের অভিযোগ, তাঁর স্বামী সমর্থ সিংহ এবং শাশুড়ি গিরিবালা সিংহ খুন করেছেন ত্বিশাকে। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গিরিবালা। তিনি পাল্টা দাবি করেন, তাঁর পুত্রবধূ মাদকাসক্ত ছিলেন। দিন কয়েক আগেই ত্বিশা জানতে পেরেছিলেন তিনি সন্তানসম্ভাবা। আর তাতে মানসিক ভাবে আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন তাঁর পুত্রবধূ, এমনই দাবি গিরিবালার। তিনি দাবি করেন, ত্বিশা মা হতে রাজি ছিলেন না। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও মাদক সেবন করেছেন। যদিও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সেই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে। ভোপালের পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘‘ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মাদকের কোনও উল্লেখ নেই। আমরা তদন্তেও তেমন কিছু পাইনি।’’

ত্বিশার দেহের ময়নাতদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তাঁর পরিবার। দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্ত করার দাবি জানিয়েছে তারা। যদিও এ প্রসঙ্গে সঞ্জয় বলেন, ‘‘দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের অনুমোদন আমরা দিতে পারি না। এর জন্য আদালতে যেতে হবে।’’ উল্লেখ্য, মঙ্গলবারই ত্বিশার দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্ত করাতে চেয়ে আদালতে দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁর বাবা-মা। ভোপালের বাড়িতে একটি বেল্ট দিয়ে ঝুলছিল ত্বিশার দেহ। তবে সেই বেল্টটি নাকি পাঠানো হয়নি ময়নাতদন্তের জন্য! আধিকারিক সূত্র উদ্ধৃত করে ‘নিউজ় ১৮’ জানিয়েছে, ফাঁস দেওয়ার সময়ে যে বস্তুটি ব্যবহার করা হয়েছিল, ফরেনসিক পরীক্ষার সময়ে প্রোটোকল অনুযায়ী সেটি জমা দেওয়া উচিত তদন্তকারী আধিকারিকের। যাতে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞেরা গলার দাগের সঙ্গে বস্তুটি মিলিয়ে দেখতে পারেন, সেই জন্যই তা দেওয়া উচিত। তবে এ ক্ষেত্রে ওই বেল্ট ছাড়াই ত্বিশার দেহের ময়নাতদন্ত হয়ে যায়।

Bhopal Death Case Post Mortem
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy