Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০১ জুলাই ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

বিভাজন ঘটানোর লক্ষ্যে ‘লভ জিহাদ’ শব্দটি তৈরি করেছে বিজেপি, দাবি গহলৌতের

গেরুয়া শিবিরে ‘লভ জিহাদ’-এর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি সরব উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ

সংবাদ সংস্থা
জয়পুর ২০ নভেম্বর ২০২০ ১৬:০৭
Save
Something isn't right! Please refresh.
—ফাইল চিত্র।

—ফাইল চিত্র।

Popup Close

আইনে ‘লভ জিহাদ’-এর কোনও অস্তিত্ব নেই বলে বছরের গোড়াতেই সাফ জানিয়ে দিয়েছিল কেন্দ্র। তার পরেও একাধিক বিজেপি শাসিত রাজ্য ‘লভ জিহাদ’-এর বিরুদ্ধে আইন আনতে উঠেপড়ে লেগেছে। তা নিয়ে এ বার গেরুয়া শিবিরকে তীব্র আক্রমণ করলেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রবীণ কংগ্রেস নেতা অশোক গহলৌত। তাঁর অভিযোগ, দেশে বিভাজন ঘটানোই লক্ষ্য বিজেপির। সাম্প্রদায়িক অশান্তি বাধাতে চায় ওরা। তার জন্যই ‘লভ জিহাদ’ শব্দটা তৈরি করেছে।

‘লভ জিহাদ’ নিয়ে বিতর্কের মধ্যে শুক্রবার বিজেপিকে নিশানা করে পর পর তিনটি টুইট করেন গহলৌত। তিনি লেখেন, ‘দেশে বিভাজন ঘটানো এবং সাম্প্রদায়িক অশান্তি বাঁধানোর লক্ষ্যে লভ জিহাদ শব্দটা তৈরি করেছে বিজেপি। বিয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতার ব্যাপার,আইন এনে তাতে বাধা দেওয়া সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক এবং দেশের কোনও আদালতই এতে সায় দেবে না। ভালবাসার সম্পর্কে জিহাদের কোনও জায়গাই নেই’।

গহলৌত আরও লেখেন, ‘এমন একটা পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা চলছে, যেখানে নিজের ইচ্ছেয় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবেন না প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক। বরং রাষ্ট্রের অনুগ্রহে থাকতে হবে তাঁদের। বিয়ের মতো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের পথে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হচ্ছে, যা ব্যক্তি স্বাধীনতা ছিনিয়ে নেওয়ার সমান’। দেশের সংবিধানে কোনও কিছুর ভিত্তিতে নাগরিকদের প্রতি রাষ্ট্রকে বৈষম্যমূলক আচরণ না করার বিধান রয়েছে। কিন্তু বিজেপি সংবিধানকে তাচ্ছিল্য করছে বলেও অভিযোগ করেন গহলৌত।

Advertisement



আরও পড়ুন: মধ্যপ্রদেশের পর ‘লভ জিহাদ’-এর বিরুদ্ধে বিশেষ আইন আনছে যোগীর রাজ্য

কিন্তু ভিন্ ধর্মে বিয়ে যদি ব্যক্তি স্বাধীনতার বিষয় হয়, সে ক্ষেত্রে বিয়ের পর জোর করে মেয়েদের ধর্ম পরিবর্তন করানো হয় কেন, গহলৌতের উদ্দেশ পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিংহ শেখাওয়াত। তাঁর বক্তব্য, ‘প্রিয় অশোকজি, লভ জিহাদ আসলে একটা ফাঁদ। তাতে ফেলে হাজার হাজার মেয়েকে বিয়ে একটা ব্যক্তিগত ব্যাপার বলে বোঝানো হয়। কিন্তু বাস্তবটা একেবারেই আলাদা। আর বিয়ে যদি সত্যিই ব্যক্তি স্বাধীনতার বিষয় হয়, সে ক্ষেত্রে বিয়ের পর বাবা-মায়ের দেওয়া নাম ও ধর্ম কেন পাল্টাতে হয় মেয়েদের’?

‘লভ জিহাদ’-এর নামে বিজেপি বিভাজনের রাজনীতি করছে না, বরং কংগ্রেসই রাজনৈতিক স্বার্থে ‘হিন্দু সন্ত্রাস’-এর মতো শব্দের প্রচলন ঘটিয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন শেখাওয়াত। তিনি লেখেন, ‘ক্ষমতার লোভে হিন্দু সন্ত্রাসের মতো শব্দ তৈরি করা, ঘৃণা ছড়ানো, এ সব কংগ্রেসের কাজ। বিজেপি সকলের উন্নতিতে বিশ্বাস করে। তাই আমাদের মেয়েদের লভ জিহাদের মতো বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হতে দেব না’।


আরও পড়ুন: মেঠো কবাডি থেকে সবুজ গল্ফ কোর্সে, নব্য অবতারে ময়দানে নয়া দিলীপ​

গেরুয়া শিবিরে ‘লভ জিহাদ’-এর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি সরব উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এর বিরুদ্ধে খুব শীঘ্র রাজ্যে আইন চালু হবে বলে শুক্রবারই জানিয়েছে সেখানকার স্বরাষ্ট্র দফতর। হরিয়ানা এবং মধ্যপ্রদেশ সরকারও একই পথে হাঁটছে। তবে হিন্দু মেয়ের সঙ্গে মুসলিম যুবকের বিয়েতেই যাবতীয় আপত্তি তাদের। মুসলিম মেয়ের হিন্দু পরিবারে বিয়েতে কোনও আপত্তি তোলেনি তারা।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement