বাইকের পিছনে নম্বরপ্লেটের জায়গায় হিন্দিতে লেখা— ‘বোল দেনা পাল সাহেব আয়ে থে’ (বলে দিও পাল সাহেব এসেছিল)। বাইকে বসা তিন যুবক। হলুদ রঙের প্লেটের উপর হিন্দিতে লেখা সেই কথা এবং বাইক আরোহীদের ছবি নেটমাধ্যমে ভাইরাল।
নিছকই মজাচ্ছলে লেখা সেই কাথগুলোর জন্যই এখন জেলের হাওয়া খাচ্ছেন ওই তিন যুবক। নেটমাধ্যমে কৌতূহলেরও শেষ নেই। কে এই পাল সাহেব? কেনই বা তাঁর আসার কথা বলতে বলা হচ্ছে? কাদেরই বা সে কথা বলা হচ্ছে? এ রকম নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।
आज @auraiyapolice की नज़र एक मोटर साइकिल पर पड़ी जिस पर लिखा हुआ था “बोल देना पाल साहब आए थे “ उस पर बैठे युवको को यह नही पता था की पाल साहब की यह सवारी आयी तो सही लेकिन जा नही पाएगी ! यह तो वही बात हो गयी-“राह में चलते मुलाक़ात हो गयी जिससे डरते थे वही बात हो गयी”।@Uppolice pic.twitter.com/hsdpeLQXRr
— ABHISHEK VERMA I.P.S (@vermaabhishek25) March 15, 2022
কিন্তু সেই প্রশ্নের নিরসন হোক বা না হোক, আপাতত ওই কথা লেখার মাসুল গুনতে হচ্ছে বাইকআরোহীদের। মঙ্গলবার বাইকটি দেখা গিয়েছে উত্তরপ্রদেশের মুরাদগঞ্জে। তিন যুবক ওই বাইকে চেপে রাস্তায় ঘুরছিলেন। সেই সময় রাস্তায় টহল দিচ্ছিল পুলিশ।
আরও পড়ুন:
मैं ‘पाल’ दो ‘पाल’ का राइडर हूँ
— UP POLICE (@Uppolice) March 16, 2022
‘पाल’ दो ‘पाल’ मेरी कहानी है
‘पाल’ दो ‘पाल’ मेरी हस्ती है
‘पाल दो पाल’ मेरी जवानी है 😊
आप ‘पाल’ साहब को कौन सा गाना डेडिकेट करना चाहेंगे?#तीनतिगाड़ाकामबिगाड़ा #बुरानामानोहोलीहै pic.twitter.com/q4ZZFCvrtk
কর্তব্যরত পুলিশ আধিকারিক অবনীশ কুমার বাইকে তিন জনকে দেখেই দাঁড়াতে বলেন। তখনও তাঁর নজরে আসেনি বাইকের নম্বরপ্লেটের জায়গায় লেখা রয়েছে ‘বোল দেনা পাল সাহেব আয়ে থে’। শুধু তাই নয়, বাইকের সাইলেন্সারের বদলে লাগানো হয়েছে ট্র্যাক্টরের সাইলেন্সার। হেলমেট মাথায় ছিল না আরোহীদের। পুলিশ আধিকারিক তিন যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে যান। উত্তরপ্রদেশ পুলিশ তাদের টুইটার হ্যান্ডলে বাইকের সেই লেখা পোস্ট করেছে। সেই সঙ্গে রসিকতা করে লিখেছে, ‘ম্যায় পল দো পল কা রাইডার হুঁ, পল দো পল মেরি কহানি হ্যায়’।
বাইকের সেই ‘পাল সাহেব’ এবং উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ‘পল দো পল’ নিয়ে তুমুল চর্চা চলছে নেটমাধ্যমে।