Advertisement
E-Paper

মোমো খাওয়ার নেশা! মায়ের আলমারি থেকে লক্ষাধিক টাকার গয়না চুরি করল কিশোর, সব আত্মসাৎ মোমো বিক্রেতার

উত্তরপ্রদেশের এক কিশোরের বিরুদ্ধে নিজের বাড়ির গয়না চুরির অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ জানতে পেরেছে, মোমো খাওয়ার জন্য সে মায়ের আলমারি থেকে গয়না সরিয়েছে দিনের পর দিন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:০০
মোমোর নেশায় গয়না চুরি করে ধরা পড়ল কিশোর।

মোমোর নেশায় গয়না চুরি করে ধরা পড়ল কিশোর। —প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

মোমো খাওয়ার নেশায় নিজের বাড়ি থেকেই দিনের পর দিন গয়না চুরি করল কিশোর। লক্ষাধিক টাকার সেই সমস্ত গয়না আত্মসাৎ করলেন পাড়ার মোমো বিক্রেতা। টেরই পেল না পরিবার। গয়না গায়েব হয়ে যাওয়ার কথা যখন জানা গেল, তখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। মোমোর দোকান তুলে দিয়ে সমস্ত গয়না নিয়ে উধাও হয়ে গিয়েছেন বিক্রেতা।

উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়া জেলার রামপুর কারখানা থানা এলাকার ঘটনা। সেখানকার এক ১৪ বছরের কিশোরের বিরুদ্ধে বাড়ির গয়না চুরির অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই কিশোর ফাস্টফু়ড খেতে খুব ভালবাসে। রাস্তার ধারের এগরোল, চাউমিন এবং মোমো তার পছন্দ। মোমোতে আসক্ত ছিল কিশোর। পাড়ার এক মোমো বিক্রেতার থেকে সে নিয়মিত মোমো খেত। বাড়ি থেকে তার জন্য টাকা না-দেওয়ায় কিশোর মায়ের আলমারি থেকে গয়না চুরি শুরু করে। প্রায় প্রতিদিনই কোনও না কোনও গয়না সে আলমারি থেকে বার করে নিয়ে গিয়েছে এবং মোমো বিক্রেতার হাতে তুলে দিয়েছে। পরিবর্তে তাকে অঢেল মোমো খেতে দিয়েছেন ওই দোকানি। পুরো বিষয়টি হয়েছে পরিবারের নজরের আড়ালে।

কিশোরের এক আত্মীয় নিজের গয়না নিতে এলে বিষয়টি জানাজানি হয়। আলমারি খুলে তিনি দেখেন, প্রায় কোনও গয়নাই নেই! মাথায় হাত পড়ে যায় পরিবারের। জিজ্ঞাসাবাদের পর কিশোরই স্বীকার করে নেয় যে, সে গয়না মোমো বিক্রেতাকে দিয়ে এসেছে। সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের সদস্যেরা পুলিশের দ্বারস্থ হন। দাবি, কয়েক লক্ষ টাকার গয়না ছিল ওই আলমারিতে।

পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কিন্তু এখনও সেই মোমো বিক্রেতার কোনও হদিস মেলেনি। উদ্ধার করা যায়নি কোনও গয়নাই। এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, শীঘ্রই মোমো বিক্রেতাকে ধরা যাবে বলে তাঁরা আশাবাদী।

Uttar Pradesh Crime News jewellery theft
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy