দেশে ভোটারের সংখ্যা বাড়ছে। তাই কেন্দ্রীয় বাজেটে ভোটার আইডি কার্ডের জন্য মোটা অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এই বাবদ কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রক পাবে ২৫০ কোটি টাকা। এ ছাড়া, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের খরচ বাবদ আরও ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে ২০২৬-২৭ বাজেটে।
ভোটারদের আইডি কার্ড (ইলেকশন ফটো আইডি কার্ড বা এপিক) তৈরি করতে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়, তা কেবল কেন্দ্রীয় সরকার দেয় না। রাজ্য এবং কেন্দ্রের মধ্যে এই খরচ সমান ভাগে ভাগ হয়ে যায়। প্রতি রাজ্য তার ভোটার সংখ্যা অনুযায়ী হিসাব করে আইডি কার্ডের জন্য টাকা দেয়। বাকি অর্থ ব্যয় করে কেন্দ্র। সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, এই মুহূর্তে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৯৯ কোটি। প্রথমে মনে করা হয়েছিল, ভোটার আইডি কার্ড বাবদ ৩০০ কোটি টাকা খরচ হতে পারে। সেই অনুযায়ী বাজেটে বরাদ্দ করা হয়েছিল। তবে তা সংশোধন করে বরাদ্দের পরিমাণ ২৫০ কোটি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় সরকারের যা যা খরচ হয়েছে, তার জন্য বাজেটে পৃথক বরাদ্দ বরাবরই থাকে। সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রকের পাশাপাশি কাজ করে বিভিন্ন সংস্থা। নির্বাচন কমিশন, বিভিন্ন নির্বাচনী আইন, নিয়মকানুন প্রয়োগ এবং কমিশনে নিয়োগের জন্য যা যা খরচ হয়েছে, সেগুলি মেটাতে আইন মন্ত্রক ৫০০ কোটি টাকা পাচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গ-সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন আসছে। তার আগে দেশের ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে চলছে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)। এই পরিস্থিতিতে ভোটার কার্ডের জন্য আবেদনের সংখ্যাও বাড়ছে। অনেকের মতে, সেই কারণেই কেন্দ্রীয় বাজেটে আলাদা করে গুরুত্ব পেল এপিক।