Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১৮ অক্টোবর ২০২১ ই-পেপার

অরণ্যের অধিকারে দেশের সেরা ছত্তীসগঢ়, দাবি মুখ্যমন্ত্রী বাঘেলের

সংবাদ সংস্থা
রায়পুর ০৮ অক্টোবর ২০২০ ১৭:৪৪
মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল— ফাইল চিত্র।

মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল— ফাইল চিত্র।

অরণ্যের অধিকার আইন কার্যকর করার ক্ষেত্রে দেশের সেরা রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে ছত্তীসগঢ়। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল এই দাবি করেছেন। এ বিষয়ে নানা তথ্য-পরিসংখ্যানও পেশ করেন তিনি। বাঘেল জানান, এ পর্যন্ত ছত্তীসগঢ়ে চার লক্ষ ৪১ হাজার জন ব্যক্তি এবং ৪৬ হাজারেরও বেশি সংগঠনকে অরণ্যের অধিকার সংক্রান্ত কাগজপত্র দেওয়া হয়েছে।

বনবাসী ও আদিবাসী মানুষের হাতে অরণ্যের ব্যবস্থাপনা তুলে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ২০০৬ সালে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহের সরকার ‘অরণ্যের অধিকার আইন’ প্রণয়ন করেছিল। এ বিষয়ে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছিল ছত্তীসগঢ়, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশার মতো আদিবাসী ও জনজাতি অধ্যুষিত রাজ্যগুলির দিকে। তথ্য-পরিসংখ্যান পেশ করে ভূপেশ জানিয়েছেন, রাজ্যওয়াড়ি হিসেব অনুযায়ী ভারতে অরণ্যের অধিকার আইনের অন্তর্গত কর্মসূচিগুলি সবচেয়ে সফল ভাবে কার্যকর হয়েছে ছত্তীসগঢ়ে।

নয়া আইনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলতে গিয়ে তৎকালীন কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার জানিয়েছিল, ব্রিটিশ জমানার ভারতীয় অরণ্য আইন (১৯২৭) এবং স্বাধীন ভারতের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে (১৯৭২) অরণ্যবাসী মানুষের বহুপ্রজন্মব্যাপী অরণ্য-নির্ভর অস্তিত্বের কথা বলা হয়নি। নয়া আইনে অরণ্যবাসী এবং জঙ্গল লাগোয়া জনজাতি গ্রামগুলির বাসিন্দাদের কৃষি ও অরণ্যজাত দ্রব্য সংগ্রহের অধিকার দেওয়া হয়েছিল।

Advertisement

আরও পড়ুন: নীতীশকে হারাতে দলছুট বিজেপি নেতারাই ভরসা চিরাগের

বনাধিকার আইন কার্যকরের সাফল্য তুলে ধরে ভূপেশ বাঘেল বলেন, ‘‘এ পর্যন্ত আমরা প্রায় ৫১ লক্ষ ৬ হাজার একর কৃষি ও বাস্তুজমির অধিকার দিয়েছি বনবাসী পরিবার ও গোষ্ঠীগুলিকে। এর মধ্যে ৪৬ হাজার অরণ্যচারী গোষ্ঠী পেয়েছে ৪১ লক্ষ ৬৪ হাজার ৭০০ একর। ৪ লক্ষ ৪১ হাজার জনকে ব্যক্তি মালিকানায় দেওয়া হয়েছে ৯ লক্ষ ৪১ হাজার ৮০০ একর জমি।’’ মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘‘আমাদের পরিকল্পনা, মাথা পিছু অন্তত ১ হেক্টর (২.৪৭ একর) জমি বরাদ্দ করা।’’

আরও পড়ুন: ‘সম্প্রতি বাক স্বাধীনতার অপব্যবহার হচ্ছে বেশি’, উদ্বেগ সুপ্রিম কোর্টের

বাঘেল জানিয়েছেন, তাঁর সরকার চাষের জন্য জমি তৈরি ও বেড়া দেওয়ার যে কর্মসূচি চালু করেছে, তাতে এ পর্যন্ত ১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৭৬২ জন আদিবাসী ও জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ উপকৃত হয়েছেন। ১১ হাজার হেক্টর (২৭,১৮১ একর) কৃষিজমি সেচের আওতায় আনার ফলে উপকৃত হয়েছেন প্রায় ৪১ হাজার জন। গ্রামসভাগুলির সহায়তায় আগামী দিনেও এই কর্মসূচি জারি থাকবে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন

Advertisement