Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১৭ অগস্ট ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

উত্তরাখণ্ডের লিপুলেখে এ বার সেনা সমাবেশ চিনের

জুন মাসে নেপাল পার্লামেন্টে পাশ হওয়া মানচিত্র অনুমোদন বিলে উত্তরাখণ্ডের লিপুলেখ গিরিপথকে ‘নেপালের ভূখণ্ড’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সংবাদ সংস্থা
নয়াদিল্লি ০১ অগস্ট ২০২০ ১৭:০৪
Save
Something isn't right! Please refresh.
লিপুলেখ গিরিপথে ভারতীয় সেনার শিবির— ফাইল চিত্র।

লিপুলেখ গিরিপথে ভারতীয় সেনার শিবির— ফাইল চিত্র।

Popup Close

লাদাখের পর এ বার ড্রাগনের নজর উত্তরাখণ্ডের লিপুলেখ গিরিপথে। সম্প্রতি সেখানে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলএসি) কাছে চিনা পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) একটি ব্যাটালিয়ন মোতায়েন করা হয়েছে বলে ভারতীয় সেনা জানিয়েছে। চিনের পাশাপাশি উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার ওই গিরিপথ ভারত ও নেপালেরও সীমান্ত। এই পরিস্থতিতে এলাকায় সতর্ক নজরদারি চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা এবং ভারত-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ (আইটিবিপি)।

লিপুলেখের পরিস্থিতি কূটনৈতিক ভাবে নয়াদিল্লির কাছে আরও স্পর্শকাতর। জুন মাসে নেপাল পার্লামেন্টে পাশ হওয়া মানচিত্র অনুমোদন বিলে উত্তরাখণ্ডের কালাপানি ও লিম্পিয়াধুরার পাশাপাশি লিপুলেখ গিরিপথকেও ‘নেপালের ভূখণ্ড’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে নয়াদিল্লির আপত্তিতে কর্ণপাত করেননি নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি। এই পরিস্থিতিতে ওই অঞ্চলে চিনা ফৌজের উপস্থিতি বিষয়টিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

ভারতীয় সেনার এক আধিকারিক বলেছেন, লিপুলেখ গিরিপথের অদূরে প্রায় ১,০০০ চিনা সেনা শিবির গেড়ে বসেছে। সঙ্গে থাকা অস্ত্রশস্ত্র এবং রসদের পরিমাণ থেকে পরিষ্কার, যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েই তারা এসেছে। উত্তর সিকিম এবং অরুণাচল প্রদেশের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখাতেও সম্প্রতি চিনা ফৌজের তৎপরতা ক্রমশ বাড়তে শুরু করেছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

Advertisement

তিব্বতের কৈলাস ও মানস সরোবর যেতে তীর্থযাত্রীরা প্রাচীনকাল থেকেই লিপুলেখ গিরিপথ ব্যবহার করেন। প্রতি বছর জুন থেকে অক্টোবরে গিরিপথের ওপারে চিন অধিকৃত তিব্বতের গ্রামগুলির বাসিন্দারা স্থানীয় পণ্য বিক্রির উদ্দেশ্যে এখানে আসেন। তীর্থযাত্রীদের সুবিধার জন্য ধরচুলা থেকে লিপুলেখ পর্যন্ত প্রায় ৮০ কিলোমিটার রাস্তা বানিয়েছে ভারত। মে মাসে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ সেই রাস্তা উদ্বোধন করার পরে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল নেপাল। ওলি সরকারের এমন আচরণের পিছনে বেজিংয়ের উসকানি আছে বলেও অভিযোগ উঠেছিল।

গালওয়ান সংঘর্ষের পরে দেড় মাস কেটে গেলেও লাদাখের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এখনও থেকে সরেনি চিনা ফৌজ। এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় সেনাও সেখানে শীতকালীন অবস্থানের প্রস্তুতি শুরু করেছে বলে সরকারি সূত্রের খবর। সেনার জন্য শীতকালীন পোশাক এবং অতি উচ্চতায় ব্যবহারের উপযোগী স্নো-টেন্টের সন্ধানে আমেরিকা, রাশিয়া ও ইউরোপের কয়েকটি দেশে যোগাযোগ শুরু করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

আরও পড়ুন: আদালত অবমাননা আইন ‘মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী’! চ্যালেঞ্জ করে মামলা সুপ্রিম কোর্টে

যদিও ভারতে চিনা রাষ্ট্রদূত সুন ওয়েদংয়ের দাবি, নয়াদিল্লির সঙ্গে সঙ্ঘাতে জড়ানোর কোনও অভিপ্রায় বেজিংয়ের নেই। চলতি সপ্তাহে তিনি দাবি করেছেন, সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার পরে লাদাখের বিভিন্ন এলাকায় ‘মুখোমুখি অবস্থান থেকে 'সেনা পিছনো’ (ডিসএনগেজমেন্ট) এবং ‘সেনা সংখ্যা কমানো’ (ডিএসক্যালেশন)-র প্রক্রিয়ার প্রত্যাশিত অগ্রগতি হয়েছে। যদিও ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব চিনা রাষ্ট্রদূতের দাবি খারিজ করে বলেছেন, ‘‘সেনা পিছনোর কাজে সামান্য অগ্রগতি হয়েছে। এখনও কাজ শেষ হয়নি।’’

আরও পড়ুন: এ বার আমেরিকাতেও নিষিদ্ধ হতে চলেছে টিকটক, ঘোষণা ট্রাম্পের​

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement