জয়পুরে সোমবার একটি প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সমর্থকেরা কাঁধে চাপিয়েছিলেন তাঁকে। অভিযোগ, সে সময় ভিড়ের মধ্যে থেকে কয়েক জন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে চড় মারেন। এই ঘটনায় দু’জনকে আটক করেছে পুলিশ। দীপকে জানান, শারীরিক আক্রমণ আসলে ভয়ের প্রকাশ।
নিট দুর্নীতির প্রতিবাদে সোমবার জয়পুরের শহিদ স্মারকে কর্মসূচি ছিল সিজেপির। শয়ে শয়ে সমর্থক জড়ো হয়েছিলেন। তাঁদের দাবি ছিল, নিট কেলেঙ্কারিতে দেশের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতে হবে। জয়পুরের সেই কর্মসূচিতে ভাষণ দিতে যাচ্ছিলেন দীপকে। তার আগে প্রতিষ্ঠাতাকে কাঁধে তুলে নেন সিজেপির সমর্থকেরা। অভিযোগ, সে সময়ই ভিড়ের মধ্যে থেকে কয়েক জন তাঁকে চড় মারেন।
অভিযুক্তদের ধরে ফেলেন সিজেপি সমর্থকেরা। তাঁদের পাল্টা মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। সে সময় পুলিশ হস্তক্ষেপ করে। দু’জনকে আটক করা হয়। পরে দীপকে সমাজমাধ্যমে লেখেন, ‘‘শারীরিক আক্রমণ ভয় এবং ভিরুতার প্রকাশ।’’ তার পরেই তিনি লেখেন, ‘‘আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে সোচ্চার হব। আমি গান্ধী এবং অম্বেডকরের অনুগামী। শান্তি এবং ভালবাসার মাধম্যেই এই লড়াই চালিয়ে যাব। পুনশ্চ, ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতেই হবে।’’
আরও পড়ুন:
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত দেশের যুব সম্প্রদায়ের একাংশকে ‘আরশোলা’ এবং ‘পরজীবী’ বলে উল্লেখ করার পরে তৈরি হয়েছিল বিতর্ক। প্রধান বিচারপতির মতে, ওই তরুণ-তরুণীরা অন্য কোনও পেশায় স্থান না পেয়ে সাংবাদিক, সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী বা তথ্যের অধিকার কর্মী হিসাবে কাজ শুরু করেন ও সকলকে আক্রমণ করেন। প্রধান বিচারপতির ওই মন্তব্যের পর গত ১৬ মে সিজেপি আত্মপ্রকাশ করে। ‘অনলাইন স্যাটায়ার মুভমেন্ট’ (ব্যাঙ্গাত্মক রাজনৈতিক আন্দোলন) হিসাবে পথ চলা শুরু করার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই নেটমাধ্যমে প্রবল জনপ্রিয়তা অর্জন করে ফেলে সিজেপি।