প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে উত্তাল গোটা দেশ। প্রশ্নফাঁসের কারণে পরীক্ষা বাতিল এবং লাখ লাখ তরুণ-তরুণীদের ভবিষ্যতকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করে দেশের দিকে দিকে বিক্ষোভ কর্মসূচি চলছে। আগামী বুধবার রাজস্থানের কোটায় প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে ডাকা প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যুবসম্প্রদায়কে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানালেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি মনে করেন, সরকার যখন কোনও কথা শুনতে রাজি হয় না, তখন জনগণকে আরও জোরালো আওয়াজ তুলতে হবে।
এই আন্দোলনকে যুবসমাজের ভবিষ্যতের জন্য লড়াই বলে উল্লেখ করেছেন রাহুল। এক্স পোস্টে এক বার্তায় তিনি লিখেছেন, ‘‘আসুন আমরা একত্রিত হয়ে এমন একটা আওয়াজ তুলি, যা উপেক্ষা করতে পারবে না (সরকার)। সেই আওয়াজ কোটা থেকে উঠলেও পৌঁছে যাবে দেশের কোণায় কোণায়।’’
প্রশ্নফাঁসের কারণে পরীক্ষা বাতিল, চাকরিতে বিলম্ব— নানা কারণকে সামনে রেখে প্রথম থেকেই নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সরব কংগ্রেস এবং রাহুল। তিনি মনে করেন, ‘‘ভারতের তরুণদের স্বপ্ন দেখার জন্য শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায়ও সাফল্যের নিশ্চয়তা দেয় না। প্রতিটি প্রশ্নফাঁসের মতো ঘটনা, পরীক্ষা বাতিল, নিয়োগ স্থগিত প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতা ছাড়া আর কিছুই নয়।’’ রাহুলের অঙ্গীকার, ‘‘ন্যায্য সুযোগ এবং কর্মসংস্থানের লড়াইয়ে সব সময় পাশে রয়েছি।’’
আরও পড়ুন:
১৭ জুন কোটা থেকে শুরু হবে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি। ওই দিন কোটার দশেরা ময়দানে জমায়েতের ডাক দেওয়া হয়েছে। ‘শিক্ষা বাঁচান, আপনার ভবিষ্যৎ বাঁচান’— এই ব্যানারে দেশব্যাপী আন্দোলনের প্রথম ধাপ শুরু হবে কোটায়। পরে ১০ জুলাই ইলাহাবাদ, ১১ জুলাই পটনা এবং ১৪ জুলাই দিল্লিতে হবে এই আন্দোলন।
নিটের প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিবাদে শামিল হয় যুবসমাজ। সমর্থন জানান ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা প্রযুক্তিবিদ অভিজিৎ দীপকেও। জানান, নিট-আন্দোলনে বিক্ষোভকারীদের পাশে থাকতে দেশে ফিরবেন তিনি। সেই মতো দেশে ফিরে নিট-আন্দোলনে যোগ দেন।