Advertisement
E-Paper

প্রায় অর্ধেক পৃথিবী প্রদক্ষিণ করে বিশ্বজয় করতে হবে ইংল্যান্ডকে! হ্যারি কেনদের পাড়ি দিতে হবে ১৯৯৮৫ কিলোমিটার পথ

ফ্লোরিডায় নিউ জ়িল্যান্ড এবং কোস্টারিকার বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে ইংল্যান্ড। তার পর কানসাস সিটিতে ঘাঁটি তৈরি করেছে তারা। মেজর লিগ সকারের দল কানসাস সিটির পরিকাঠামো ব্যবহার করছেন টমাস টুখেল।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬ ১৯:৩২
picture of football

ইংল্যান্ড ফুটবল দল। ছবি: রয়টার্স।

বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে যাতে বিঘ্ন না ঘটে তাই আমেরিকার কানসাস সিটিতে ঘাঁটি তৈরি করেছে ইংল্যান্ড। সেখান থেকে যাতায়াত করে বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলবে টমাস টুখেলের দল। ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছোলে ইংল্যান্ডকে পাড়ি দিতে হবে প্রায় ১২৪১৮ মাইল বা প্রায় ১৯৯৮৫ কিলোমিটার পথ। অর্ধেক পৃথিবী প্রদক্ষিণ হয়ে যাবে ইংল্যান্ডের ফুটবলারদের।

১৯৬৬ সালে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ইংল্যান্ড। ৬০ বছর পর দ্বিতীয় বার বিশ্বজয় করতে মরিয়া হ্যারি কেনরা। ১৮ জুন তাঁদের প্রথম ম্যাচ ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে। চ্যাম্পিয়ন হতে হলে সব মিলিয়ে আটটি ম্যাচ খেলতে হবে। প্রতিটি ম্যাচই কানসাস সিটির ঘাঁটি থেকে যাতায়াত করে খেলবেন ইংল্যান্ড। সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী, ছ’টি স্টেডিয়ামে খেলা পড়তে পারে ইংল্যান্ডের। সব ম্যাচ মিলিয়ে দীর্ঘ পথ যাতায়াত করতে হবে ইংল্যান্ডের ফুটবলারদের।

ফ্লোরিডায় নিউ জ়িল্যান্ড এবং কোস্টারিকার বিরুদ্ধে দু’টি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে ইংল্যান্ড। তার পর কানসাস সিটিতে ঘাঁটি তৈরি করেছে তারা। মেজর লিগ সকারের দল কানসাস সিটির পরিকাঠামো ব্যবহার করছেন টুখেল। চূড়ান্ত পর্বের প্রস্তুতির জন্য জন বসতি থেকে কিছুটা দূরে প্রকৃতির মাঝে নিরিবিলি জায়গা বেছে নিয়েছেন ইংল্যান্ড কোচ। অথচ কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের কোনও খেলা নেই সূচি অনুযায়ী!

কানসাস সিটি থেকে আমেরিকা এবং মেক্সিকোর সাতটি শহরে যেতে হবে ইংল্যান্ডের ফুটবলারদের। চারটি ক্ষেত্রে এক পিঠ যেতে হবে। আর চারটি ক্ষেত্রে তাঁদের যাতায়াত করতে হবে। যেমন কানসাস সিটি থেকে বস্টনের জিলেট স্টেডিয়ামের দূরত্ব ১২৪২ মাইল বা প্রায় ১৯৯৯ কিলোমিটার। এই পথ এক বার যাবেন ইংল্যান্ডের ফুটবলারেরা। সেখান থেকে যেতে হবে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে খেলতে। এই পথের দূরত্ব ১৭০ মাইল বা প্রায় ২৭৪ কিলোমিটার। কানসাস সিটি থেকে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামেও এক বার যেতে হবে। এই পথের দূরত্ব ১০৯৫ মাইল বা ১৭৬২ কিলোমিটার। এই পথে দু’বার যেতে হবে ইংল্যান্ডকে। অর্থাৎ ৩৫২৪ কিলোমিটার পথ।

ইংল্যান্ডকে যাতায়াত করতে হবে চারটি ক্ষেত্রে। কানসাস সিটি থেকে মেক্সিকো সিটিতে যাওয়া এবং ফিরে আসার জন্য ইংল্যান্ডের ফুটবলারদের অতিক্রম করতে হবে মোট ২৭৭০ মাইল বা প্রায় ৪৪৫৮ কিলোমিটার। যাতায়াত করতে হবে ডালাসে। দু’বারে পাড়ি দিতে হবে ৯০০ মাইল বা প্রায় ১৪৪৮ কিলোমিটার। টুখেলের দলকে যাতায়াত করতে হবে মায়ামিতেও। এ ক্ষেত্রে তাদের মোট ২৪৫৪ মাইল বা ৩৯৪৯ কিলোমিটার সফর করতে হবে। যাতায়াত করতে হবে অ্যাটলান্টাতেও। মোট ১৩৪৬ মাইল বা ২১৬৬ কিলোমিটার পথ সফর করতে হবে কেনদের।

ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ খেলতেই ইংল্যান্ডকে যেতে হচ্ছে ডালাসে। এই ম্যাচ খেলে ইংল্যান্ড দল আবার কানসাস সিটিতে ফিরে যাবে। দু’বার ৪৫০ মাইল (প্রায় ৭২৪ কিলোমিটার) বিমান সফর করতে হবে। এক বার যেতে সময় লাগবে ৯০ মিনিটের কাছাকাছি। সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী ইংল্যান্ডকে দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচ খেলতে যেতে হতে পারে অ্যাটলান্টায়। প্রিকোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচ হতে পারে মেক্সিকো সিটিতে। কোয়ার্টার ফাইনাল মায়ামিতে, সেমিফাইনাল অ্যাটলান্টায় এবং ফাইনাল নিউ জার্সিতে।

সব মিলিয়ে ইংল্যান্ডকে মোট ১২৪১৮ মাইল বা প্রায় ১৯৯৮৫ কিলোমিটার বিমান সফর করতে হবে। পৃথিবীকে এক বার প্রদক্ষিণ করতে ২৪৯০১ মাইল বা প্রায় ৪০০৭৪ কিলোমিটার পথ পেরোতে হয়। ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছোলে ইংল্যান্ডকে সেই পথের ৪৯.৮৭ শতাংশ যাত্রা করতে হবে।

সংক্ষেপে
  • ১১ জুন থেকে শুরু হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপ। চলবে ১৯ জুলাই পর্যন্ত। এ বারই প্রথম ৪৮টি দেশকে নিয়ে প্রতিযোগিতা আয়োজন করছে ফিফা।
  • ফুটবল বিশ্বকাপ হচ্ছে তিনটি দেশে। আমেরিকা, কানাডা এবং মেক্সিকো বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক। তিনটি দেশে আলাদা আলাদা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে ফিফা।
  • বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ হয়েছে অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে। ১১ জুন মেক্সিকোর বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়েছে বিশ্বকাপ।
England Harry Kane travel
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy