লকডাউনের আগে থেকেই করোনা-কূটনীতি শুরু করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সার্কভুক্ত রাষ্ট্রগুলির মধ্যে জোট তৈরি করে আঞ্চলিক স্তরে মোকাবিলার জন্য স্বাস্থ্য এবং বাণিজ্যিক স্তরে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছিল। পাশাপাশি লকডাউন চলাকালীন, পশ্চিম এশিয়া, আমেরিকা, ইউরোপ এবং লাতিন আমেরিকার করোনা-আক্রান্ত দেশগুলির সঙ্গে মোদী ক্রমাগত কথা বলছেন ফোনে।
আজ জাপান এবং নেপালের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে কথা বলে যথাসাধ্য সাহায্যের আশ্বাস দেন তিনি। ভারত থেকে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন পাওয়ার পর ধন্যবাদ দিয়েছেন ইজ়রায়েল এবং ব্রাজিলের রাষ্ট্রনেতা। জবাবে টুইট করে প্রধানমন্ত্রী আজ বলেন, “আমরা এই অতিমারির সঙ্গে একত্রে লড়াই করছি। ভারত তার বন্ধুদের সাহায্য করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করবে।”
জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সঙ্গে কথার পরে টুইট করে মোদী জানান, কোভিড-১৯ পরবর্তী বিশ্বের জন্য ভারত-জাপান কৌশলগত অংশীদারি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সঙ্কট কাটাতে নতুন প্রযুক্তি ও সমাধানসূত্র বার করার জন্য একসঙ্গে কাজ করা হবে। তাঁর কথায়, “আমার বন্ধু জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সঙ্গে অতিমারি নিয়ে কার্যকরী আলোচনা হয়েছে। আমাদের দেশ, জাপান এবং ভারত-প্রশান্তমহাসাগরীয় অঞ্চলের মানুষের জন্য সমাধান খোঁজা এবং নতুন প্রযুক্তি বার করতে দু দেশের কৌশলগত অংশীদারি সহায়ক হবে।”
সম্প্রতি জাপানে টোকিয়ো এবং আরও ৬টি প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন আবে। আজ সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারত এবং জাপানের দুই নেতা স্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রের আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জগুলি নিয়ে বিশদে কথা বলেছেন। দু’জনে পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিজ নিজ রাষ্ট্রে করা পদক্ষেপগুলি আলোচনা করেছেন।
নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি ওলির সঙ্গেও আজ ফোনে কথা বলে সহায়তার আশ্বাস দেন মোদী। গত কয়েক দিনে প্রধানমন্ত্রী কথা বলেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জাইর বোলসোনারো, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে ইন, বাহরাইনের রাজা, ওমানের সুলতান, সুইডেনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও।