পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের কারণে এ দেশে ধাক্কা খেয়েছে রফতানি। ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ীরা। এই পরিস্থিতিতে রফতানিকারীদের কিছু ছাড় দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই নিয়ে জারি করেছে বিজ্ঞপ্তি।
ডিরেক্টর জেনারেল অফ ফরেন ট্রেড (ডিজিএফটি) বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক জাহাজপথ এবং পণ্য জোগানের শৃঙ্খলে। সে কারণে এক্সপোর্ট অবলিগেশন (ইও) সময়সীমায় ছাড় দেওয়া হয়েছে। রফতানির প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য ডিজিএফটি সময় বেঁধে দেয় সংস্থাগুলিকে। সেই সময়সীমাতেই ছাড় দেওয়া হয়েছে। যাদের ইপিসিজি (এক্সপোর্ট প্রোমোশনাল ক্যাপিটাল গুডস) অনুমোদন চলতি বছর ১ মার্চ থেকে ৩১ মে-র মধ্যে শেষ হওয়ার কথা, তাদের ক্ষেত্রে তার সময়সীমা বেড়ে ৩১ অগস্ট হয়ে যাবে। এর জন্য কোনও ফি দিতে হবে না।
ইপিসিজি প্রকল্পের অধীনে দেশীয় সংস্থাগুলি ডিউটি ফ্রি যন্ত্র রফতানি করার অনুমোদন পায়। বদলে তাদের কিছু শর্ত মানতে হয়। এ বার তাতেই কিছু ছাড় দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।
আরও পড়ুন:
আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য সমঝোতা নিয়ে টানাপড়েনের কারণে মার খেয়েছিল এ দেশের রফতানি ব্যবসা। এর পরে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ভারত থেকে আমদানি করা পণ্যের উপরে ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর পড়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছিল। পরে বাণিজ্য-সমঝোতা নিয়ে দুই দেশ রফাসূত্রে পৌঁছোলে রফতানি ব্যবসা কিছুটা চাঙ্গা হয়। কিন্তু তার পরেই গত শনিবার ইরানের উপর হামলা চালায় আমেরিকা, ইজ়রায়েল। পশ্চিম এশিয়ার যে সব দেশে আমেরিকার ঘাঁটি রয়েছে, সেখানে প্রত্যাঘাত শুরু করে তেহরান। সংঘাতের আবহে হরমুজ় প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করে ইরান। ইতিমধ্যেই সেখানে পণ্য ও তেলবাহী জাহাজের উপর ইরানি নৌসেনার হামলার ঘটনাও ঘটেছে। ফলে বিদেশে পণ্যবাহী জাহাজ পাঠানো বা সে দেশ থেকে জাহাজ আসা প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। তার প্রভাব পড়ে ভারতের রফতানি বাণিজ্যে। এই পরিস্থিতি নিয়ম শিথিল করল কেন্দ্রীয় সরকার।