E-Paper

স্বার্থের সংঘাতের দাবি, ভিডিয়ো মুছতে নির্দেশ

কেজরীওয়ালের পেশ করা সম্পূরক হলফনামা ও আরটিআই তথ্য অনুযায়ী, বিচারপতির পুত্র ঈশান শর্মা সুপ্রিম কোর্টের ‘গ্রুপ এ’ প্যানেলভুক্ত আইনজীবী এবং কন্যা শাম্ভবী শর্মা দিল্লি হাই কোর্টের সরকারি কৌঁসুলি ও সুপ্রিম কোর্টের ‘গ্রুপ সি’ প্যানেলভুক্ত আইনজীবী।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:০৯
অরবিন্দ কেজরীওয়াল।

অরবিন্দ কেজরীওয়াল। — ফাইল চিত্র।

আবগারি নীতি মামলায় বিচারপতি স্বর্ণকান্তা শর্মার নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে তাঁর সরে দাঁড়ানোর (রিকিউজাল) বিষয়টি বিবেচনা করার আর্জি জানিয়েছেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল। তাঁর দাবি, বিচারপতির সন্তানেরা সরকারি প্যানেলভুক্ত আইনজীবী হওয়ায় এই মামলায় স্বার্থের সংঘাতের প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। অন্য দিকে, আদালতের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী অননুমোদিত রেকর্ডিং ও প্রকাশ নিষিদ্ধ হওয়ায়, শুনানির ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষিতে হাই কোর্ট দিল্লি পুলিশকে তা সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে।

কেজরীওয়ালের পেশ করা সম্পূরক হলফনামা ও আরটিআই তথ্য অনুযায়ী, বিচারপতির পুত্র ঈশান শর্মা সুপ্রিম কোর্টের ‘গ্রুপ এ’ প্যানেলভুক্ত আইনজীবী এবং কন্যা শাম্ভবী শর্মা দিল্লি হাই কোর্টের সরকারি কৌঁসুলি ও সুপ্রিম কোর্টের ‘গ্রুপ সি’ প্যানেলভুক্ত আইনজীবী। কেজরীওয়ালের অভিযোগ, সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এক দিকে সিবিআই-এর প্রতিনিধিত্ব করছেন এবং অন্য দিকে সরকারি প্যানেলে মামলা বণ্টনের প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার সঙ্গেও যুক্ত। এই দ্বৈত ভূমিকার কারণেই পক্ষপাতের একটি যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।

গত ১৩ এপ্রিল আদালতে কেজরীওয়ালের সওয়ালের অননুমোদিত ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়ার প্রেক্ষিতে পদক্ষেপ করেছে দিল্লি হাই কোর্ট। আদালতের অনলাইন শুনানির প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এ ধরনের রেকর্ডিং বা তার প্রকাশ নিষিদ্ধ। তাই হাই কোর্ট দিল্লি পুলিশকে ওই সমস্ত কন্টেন্ট সমাজমাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে।

আদালতের কার্যপদ্ধতি নিয়েও কেজরীওয়াল তাঁর হলফনামায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। গত ১৩ এপ্রিল বিকেলে তিনি আদালত ছাড়ার পর সন্ধ্যা পর্যন্ত সিবিআই-এর শুনানি চললেও তাঁকে পাল্টা জবাব (রিজয়েন্ডার) দেওয়ার ন্যায্য সুযোগ দেওয়া হয়নি বলে তিনি দাবি করেছেন। কেজরীওয়ালের দাবি, তাঁর রিকিউজাল আবেদনটি বিবেচনাধীন থাকা অবস্থাতেই আদালত মূল মামলার কার্যকর আদেশ দিয়েছে, যা অনুচিত বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। জনমানসে বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা বজায় রাখার স্বার্থে তিনি মামলাটি অন্য এজলাসে স্থানান্তরের আর্জি জানিয়েছেন। এই সমস্ত অভিযোগ ও আবেদন বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Delhi High Court Excise

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy