E-Paper

গর্ভধারণে বাধ্য করাটা স্বাধীনতা লঙ্ঘন: কোর্ট

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ওই দম্পতির মধ্যে কলহ চলছিল। ১৪ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ভবিষ্যতে বিবাহ বিচ্ছেদের কথা চিন্তা করে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে গর্ভপাত করান। যাতে তাঁর সম্মতি ছিল না বলে জানিয়ে স্বামী ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩১২ ধারায় গর্ভপাত ঘটানোর মামলা করেন।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:৪১

—ফাইল চিত্র।

গর্ভের সন্তান রাখা বা না রাখাটা সংশ্লিষ্ট মহিলার নিজস্ব সিদ্ধান্তের বিষয়। গর্ভধারণ করে থাকতে বাধ্য করা তাঁর শারীরিক স্বাধীনতা ও অলঙ্ঘনীয়তা খর্ব করে। একটি মামলায় পর্যবেক্ষণে এ কথা জানিয়েছে দিল্লি হাই কোর্ট। আদালত বলেছে, জন্ম নেওয়া নারীর অধিকার অজাত ভ্রূণের থেকে অনেক বেশি। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, জন্মের পরেই মানবাধিকার স্বীকৃত হয়, গর্ভধারণের মুহূর্তে নয়।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ওই দম্পতির মধ্যে কলহ চলছিল। ১৪ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ভবিষ্যতে বিবাহ বিচ্ছেদের কথা চিন্তা করে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে গর্ভপাত করান। যাতে তাঁর সম্মতি ছিল না বলে জানিয়ে স্বামী ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩১২ ধারায় গর্ভপাত ঘটানোর মামলা করেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট মহিলাকে সমন পাঠান। তাতে দায়রা আদালত স্থগিতাদেশ দেয়। বিবাহিত নারী বৈবাহিক কলহের কারণে গর্ভপাত করার অধিকারী কি না, সেই প্রশ্নে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা। মহিলার স্বামীর করা মামলাটি খারিজ করে সম্প্রতি হাই কোর্টের বিচারপতি নীনা বনসল কৃষ্ণ জানান, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১ অনুযায়ী প্রজনন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার সংশ্লিষ্ট মহিলার ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অংশ। গর্ভধারণ মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ক্ষতির কারণ হলে গর্ভপাত বৈধ। ‘মানসিক স্বাস্থ্য’ বলতে পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি এবং মানসিক চাপকেও বোঝায়, স্পষ্ট করে দিয়েছে আদালত।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Delhi High Court Preganant

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy