Advertisement
E-Paper

দিল্লি দাঙ্গার সাক্ষীদের নাম ফাঁস!

সাক্ষীদের নিরাপত্তা দিতে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিতেও দিল্লি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। 

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ১১ অক্টোবর ২০২০ ০২:৫৬
দিল্লি সংঘর্ষের পর এ ভাবেই এলাকা ছেড়েছিলেন অনেকে। —ফাইল চিত্র

দিল্লি সংঘর্ষের পর এ ভাবেই এলাকা ছেড়েছিলেন অনেকে। —ফাইল চিত্র

দিল্লি দাঙ্গার চার্জশিট নিয়ে ফের মুখ পুড়ল দিল্লি পুলিশের। দিল্লির করকরদুমা আদালতে পেশ করা চার্জশিটে দিল্লি দাঙ্গার ‘ষড়যন্ত্রে’র ১৫ জন সাক্ষীর নাম-ঠিকানা গোপন রাখার বদলে তা প্রকাশ করে দিয়েছে তারা! দিল্লি পুলিশের আইনজীবীর দাবি, ‘অসাবধানতাবশত’ ওই সাক্ষীদের নামধাম-পরিচয় সব কিছু চার্জশিটে দেওয়া হয়েছে। এর পরেই বিষয়টির গুরুত্ব বুঝে হস্তক্ষেপ করেন অতিরিক্ত দায়রা বিচারক অমিতাভ রাওয়ত। সেই চার্জশিটের সফ্‌ট কপি পেন ড্রাইভের মাধ্যমে অভিযুক্তদের এবং তাদের আইনজীবীদের হাতে ইতিমধ্যেই পৌঁছেছে। এই অবস্থায় অতিরিক্ত দায়রা বিচারক নির্দেশ দিয়েছেন, পেন ড্রাইভ সমেত ওই চার্জশিটের সফ‌ট কপি অবিলম্বে ফেরত দিতে হবে। ওই চার্জশিটের কোনও জেরক্স কপি করা থাকলে, তা-ও নষ্ট করতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। একই সঙ্গে সাক্ষীদের নাম-ধাম-পরিচয় যাতে কোনও ভাবেই ফাঁস না হয়, বা প্রকাশিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। সাক্ষীদের নিরাপত্তা দিতে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিতেও দিল্লি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

দিল্লি দাঙ্গা ষড়যন্ত্র মামলায় কিছু দিন আগেই পিঁজরা তোড় এর সংগঠক দেবাঙ্গনা কলিতা ও নাতাশা নারওয়াল, প্রাক্তন কংগ্রেস কাউন্সিলর ইশরাত জহান, সাফুরা জারগর, সাসপেন্ড হওয়া আপ কাউন্সিলর তাহির হুসেন, সমাজকর্মী খলিদ সইফি-সহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে প্রায় ১৭ হাজার পাতার চার্জশিট (এফআইআর ৫৯/২০২০)পেশ করেছে। এই দাঙ্গায় অভিযুক্ত হিসেবে জেএনইউ-এর প্রাক্তন ছাত্রনেতা উমর খলিদ এবং শরজিল ইমামের বিরুদ্ধে ইউএপিএ-সহ একাধিক ধারা এনেছে পুলিশ। তবে তাঁদের নামে এখনও চার্জশিট জমা পড়েনি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইউএপিএ, অস্ত্র আইন-সহ একাধিক ধারায় মামলা করেছে দিল্লি পুলিশ।

ইউএপিএ বা বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইনে সাক্ষীদের নিরাপত্তার কারণেই তাঁদের নাম-পরিচয় গোপন রাখা হয়। দিল্লি পুলিসের স্পেশ্যাল পাবলিক প্রসিকিউটর অমিত প্রসাদ আদালতকে জানিয়েছেন, তদন্তকারী অফিসারের ‘অসাবধানতা ও অনিচ্ছাকৃত ভুলে’র জন্যই ওই সাক্ষীদের পরিচয় চার্জশিটে জুড়ে গিয়েছে। আদালতকে পুলিশের তরফের আইনজীবী জানান, অন্তত ৩ জন সাক্ষীর সঙ্গে এই মামলার সম্পর্কিত কয়েক জন বিশেষ স্বার্থ নিয়ে যোগাযোগ করার পরেই বিষয়টি তদন্তকারী অফিসারের নজরে আসে। দিল্লি দাঙ্গার তদন্ত নিয়ে প্রথম থেকেই নানা প্রশ্নের মুখে পড়েছে দিল্লি পুলিশ।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy