হাওয়ায় ভেসে থাকবে। শুধু তা-ই নয়, শত্রপক্ষের ডেরায় বোমা ফেলতে এবং সঠিক নিশানায় হামলা করাতে এ বার ‘তারা’কে নিয়ে এল ডিআরডিও। ‘তারা’র পুরো নাম ‘ট্যাকটিক্যাল অ্যাডভান্সড রেঞ্জ অগমেনটেশন’। বৃহস্পতিবার ওড়িশার উপকূলে এই ‘গাইডেড’ সমরাস্ত্রের সফল পরীক্ষা করল ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও)।
এটি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি মডিউলার রেঞ্জ এক্সটেনশন কিট। সোজা কথায়, এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘আনগাইডেড’ বোমাকে স্মার্ট গ্লাইড বোমায় পরিণত করে। আকাশে ভেসে থাকতে পারে ‘তারা’। শত্রুপক্ষের সীমানায় যুদ্ধবিমান না ঢুকেও ‘তারা’কে পাঠিয়ে হামলা চালাতে পারবে। সূত্রের খবর, এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বায়ুসেনার অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
‘তারা’র পরীক্ষা করা হয় সুখোই ৩০ এমকেআই বিমান ব্যবহার করে। একটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় সুখোই পৌঁছোনোর পর ‘তারা’কে ওই বিমান থেকে ছাড়া হয়। তার পর সেটি বোমা নিয়ে হাওয়ায় ভাসতে ভাসতে সঠিক নিশানায় হামলা চালায়। ‘তারা’র বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল, এটি ১০০ কিলোমিটার দূর থেকেও লক্ষ্যবস্তুকে নিশানা করতে পারে। অর্থাৎ শত্রুপক্ষের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নাগালের বাইরে থেকেও ‘তারা’কে পাঠিয়ে হামলা চালাতে পারে। এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে বায়ুসেনার পুরনো বোমাগুলিকে ‘গ্লাইডেড বোমা’য় পরিণত করা যাবে। এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যুদ্ধবিমান এবং পাইলটকে শত্রুপক্ষের নাগাল থেকেও রক্ষা করবে।