আপের রাজ্যসভা সাংসদ অশোককুমার মিত্তলের মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ে হানা দিল ইডি। বুধবার পঞ্জাবের ফাগওয়াড়ায় ওই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে যান ইডির আধিকারিকেরা। ওই সাংসদের মালিকানাধীন আরও কয়েকটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালানো হয়।
প্রসঙ্গত, রাঘব চড্ঢাকে সরিয়ে কিছু দিন আগেই অশোককে রাজ্যসভার উপদলনেতা করেছে আপ। তার পরেই তাঁর মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইডি তল্লাশিকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন অনেকে। ইডি সূত্রে খবর, বিদেশি মুদ্রা আইন বা ‘ফেমা’ লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠায় এই তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। তল্লাশি চলে অশোকের বাড়িতেও।
পঞ্জাবে ইডির এই তল্লাশি অভিযান নিয়ে মুখ খুলেছেন আপ প্রধান তথা দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল। তিনি বলেন, “(প্রধানমন্ত্রী) মোদীজি পঞ্জাবের বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করলেন। কিন্তু পঞ্জাবের মানুষ এটা বরদাস্ত করবেন না। তাঁরা বিজেপিকে সমুচিত জবাব দেবেন।” প্রসঙ্গত, ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পঞ্জাবে বিধানসভা ভোট হওয়ার কথা। পঞ্জাবের আপ সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানও এই প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করে সমাজমাধ্যমে লেখেন, “আপের রাজ্যসভা সাংসদ অশোক মিত্তলের বাড়়ি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ইডি হানা আসলে পুরোপুরি ‘মোদী স্টাইলে’ হয়েছে।”
প্রসঙ্গত, চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট অশোক রাজ্যসভায় আপের সাত সাংসদের মধ্যে অন্যতম। চড্ঢার পরিবর্তে আপ তাঁকে রাজ্যসভার উপদলনেতা করার পর অশোক বলেছিলেন, “রাঘব (চড্ঢা) আমাদের সিনিয়র নেতা এবং উনি তা-ই থাকবেন। একটি গণতান্ত্রিক দল হিসাবে আপ প্রতিটি নেতাকে ভিন্ন ভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উত্থাপন করার সুযোগ দেয়।”