Advertisement
E-Paper

কেরলের বাম সরকারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়নের বাড়িতে ইডি, কন্যার সঙ্গে সম্পর্কিত মামলার সূত্র ধরে চলছে তল্লাশি অভিযান

অভিযোগ, বিজয়নের কন্যার সংস্থা কোনও পরিষেবা না-দিয়েই ‘কোচিন মিনারেলস অ্যান্ড রুটাইল লিমিটেড’-এর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়েছে। যদিও এই মামলায় সরাসরি বিজয়নের নাম অভিযুক্ত হিসাবে উল্লেখ নেই।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ মে ২০২৬ ০৯:০৯
ED raids ex-Kerala CM Pinarayi Vijayan\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\'s home in corruption case

কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। —ফাইল চিত্র

কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। জানা গিয়েছে, ‘কোচিন মিনারেলস অ্যান্ড রুটাইল লিমিটেড’ সংক্রান্ত এক দুর্নীতি মামলার সূত্র ধরেই এই তল্লাশি। ওই মামলায় জড়িত বিজয়নের কন্যা। শুধু বিজয়নের বাড়ি নয়, এই মামলায় কেরল জু়ড়ে আরও ন’জয়গায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে ইডি।

ইডি কর্তাদের উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, ‘কোচিন মিনারেলস অ্যান্ড রুটাইল লিমিটেড’ এবং বিজয়নের কন্যা টি বীণার সংস্থা ‘এক্সালজিক সলিউশনস প্রাইভেট লিমিটেড’-এর বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের অংশ হিসাবে এই তল্লাশি অভিযান।

ঘুষ এবং অর্থপাচারের অভিযোগের তদন্তের আওতায় শিল্প রাসায়নিক উৎপাদনকারী কেরল-ভিত্তিক সংস্থা ‘কোচিন মিনারেলস অ্যান্ড রুটাইল লিমিটেড’। অভিযোগ, বিজয়নের কন্যার সংস্থা কোনও পরিষেবা না-দিয়েই ‘কোচিন মিনারেলস অ্যান্ড রুটাইল লিমিটেড’-এর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়েছে। যদিও এই মামলায় সরাসরি বিজয়নের নাম অভিযুক্ত হিসাবে উল্লেখ নেই।

কী এই মামলা? ২০২৩ সালের অগস্টে প্রথম অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। সে সময় দাবি করা হয়, ‘এক্সালজিক সলিউশনস প্রাইভেট লিমিটেড’ ২০১৭ সাল থেকে ২০২০ সালের মধ্যে কোনও পরিষেবা না-দিয়েই ‘এক্সালজিক সলিউশনস প্রাইভেট লিমিটেড’-এর কাছ থেকে ১.৭২ কোটি টাকা পেয়েছে। এই বিষয় প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকার জালিয়াতি তদন্ত দফতরকে (এসএফআইও) বিস্তারিত ভাবে খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেয়। ২০২৫ সালের এপ্রিলে কেন্দ্রীয় কর্পোরেট বিষয় মন্ত্রক অবৈধ অর্থ প্রদানের অভিযোগে বিজয়নের কন্যার বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমতি দেয়। এসএফআইও তাদের অভিযোগপত্রে বীণা, ‘কোচিন মিনারেলস অ্যান্ড রুটাইল লিমিটেড’-এর ডিরেক্টর শশীধরণ-সহ ২৭ জনকে অভিযুক্ত হিসাবে উল্লেখ করে। শুধু তা-ই নয়, বেশ কয়েকটি সংস্থার কথাও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়। বীণার বিরুদ্ধে কোম্পানি আইন, ২০১৩-এর ৪৪৭ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এই অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে ছ’মাস থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। এ ছাড়াও, জালিয়াতিতে জড়িত অর্থের তিনগুণ পরিমাণ পরিশোধ করতে হয় অভিযুক্তকে।

ED Pinarayi Vijayan
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy