×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১৯ জানুয়ারি ২০২১ ই-পেপার

ভোটের কাজে সময় বেঁধে দিল কমিশন

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা২৮ নভেম্বর ২০২০ ০৫:৪২
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

বুথের হালহকিকত, ভোটকর্মীদের বিস্তারিত তথ্য, ভোটসামগ্রী কেনাকাটা-সহ নির্বাচন প্রস্তুতির নানা খুঁটিনাটি কাজকর্ম আগামী পনেরো দিনের মধ্যে শেষ করার জন্য শুক্রবার জেলা নির্বাচন অফিসার (ডিইও) তথা জেলাশাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) আরিজ আফতাব। সূত্রের খবর, ডিসেম্বরের মাঝামাঝি ভোট প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে দিল্লি থেকে এ রাজ্যে আসতে পারেন নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা। তাঁদের কাছে রিপোর্ট জমা দিতে যাতে সমস্যা না- হয়, তাই এই সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। 

রাজ্যের ৭৮,৯০৩টি বুথে ভোটারদের জন্য থাকা ন্যূনতম সুবিধাগুলি কী অবস্থায় রয়েছে, তা দেখতে হবে জেলা নির্বাচনী অফিসারদের। সঙ্গে ‘অগজ়িলিয়ারি’ বুথের কথা মাথায় রেখে এখন থেকেই পরিকল্পনা করবেন তাঁরা। সূত্রের খবর, কোভিড আবহে ভোট হলে রাজ্যে বুথের সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিহার বিধানসভা নির্বাচনেও বাড়তি বুথ তৈরি হয়েছিল। 

ভোটকর্মীদের তথ্য ভাণ্ডার ইতিমধ্যে তৈরি শুরু হয়েছে। তার বিশদ বিরবণের কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে জেলা প্রশাসনকে। আগামী মাসের শুরু থেকে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) বা বৈদ্যুতিন ভোটযন্ত্রের প্রথম পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। তা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। 

Advertisement

নানা আবেদনপত্র, গালা-সহ নানা ভোট সামগ্রী কেনাকাটার কাজও করতে হয় জেলা প্রশাসনকে। তাতেও দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে এ দিন জেলা নির্বাচন অফিসারদের বলেছেন সিইও-সহ পদস্থ আধিকারিকেরা। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় কোনও ভুলচুক না হয়, তা নিয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে জেলা নির্বাচনী অফিসারদের।

আরও পড়ুন: ‘এক দেশ এক ভোট’ নিয়ে ফের সরব মোদী

ভোটের প্রস্তুতির কাজে জেলা প্রশাসনকে সময়সীমায় বাঁধার সঙ্গে কমিশনের প্রতিনিধিদের রাজ্যে আসার যোগসূত্র আছে? তা নিয়ে সরাসরি কিছু বলছেন না সিইও দফতরের কর্তারা। তাঁদের অনেকেই ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে কমিশনের ফুল বেঞ্চের ২০১৫ সালের ৯ ডিসেম্বর রাজ্যে আসার কথা বলছেন। অনেকের মতে, নির্বাচন সদনের কর্তা-আধিকারিকদের সামনে যাতে ভোট প্রস্তুতির একটা চিত্র তুলে ধরা যায়, সে কারণেই জেলা প্রশাসনকে কাজের সময়সীমায় বাঁধতে চাইছে সিইও দফতর।  

আরও পড়ুন: বুলেট ট্রেন নিয়ে ২৫ হাজার কোটি টাকার চুক্তি

Advertisement