Advertisement
E-Paper

সফল ভারতই পারে বিশ্বকে আরও নিরাপদ করে তুলতে! দিল্লির সঙ্গে বোঝাপড়া চূড়ান্ত করার আগে বলল ইউরোপ

মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে ইউরোপীয় কমিশনের প্রধানের। জানা যাচ্ছে, ওই বৈঠক থেকেই ইউরোপীয় জোট এবং ভারতের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্যচুক্তির চূড়ান্ত রূপরেখা ঘোষণা হতে পারে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:৫০
(বাঁ দিকে) ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লিয়েন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লিয়েন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে স্থিতিশীলতার জন্য ভারতের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। এমনটাই মনে করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সোমবার ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন বলেন, “সফল ভারতই পারে বিশ্বকে আরও স্থিতিশীল, উন্নত এবং নিরাপদ করে তুলতে।”

এ বছর ভারতের সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে অন্যতম প্রধান অতিথি ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান। দিল্লির কর্তব্যপথে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বসে সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তিনি। ওই অনুষ্ঠানের পরেই এই মন্তব্য করেন উরসুলা। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, “(ভারতের) সাধারণতন্ত্র দিবসের এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হতে পারা আমার জীবনের এক বড় সম্মান। একটি সফল ভারত বিশ্বকে আরও স্থিতিশীল, উন্নত এবং নিরাপদ করে তুলবে। এর ফলে আমরা সকলেই উপকৃত হব।”

৭৭তম সাধারণতন্ত্র দিবসে ইউরোপীয় জোটের দুই নেতা প্রধান অতিথি হিসাবে আমন্ত্রিত ছিলেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রধান অ্যান্টোনিও কোস্টা, উভয়েই উপস্থিত ছিলেন। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে তাঁদের। জানা যাচ্ছে, ওই বৈঠক থেকেই ইউরোপীয় জোট এবং ভারতের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্যচুক্তির চূড়ান্ত রূপরেখা ঘোষণা হতে পারে। গত শনিবারই ভারতে এসেছেন উরসুলা। ভারত সফরে আসার আগে তিনি জানান, প্রস্তাবিত এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে ২০০ কোটি মানুষের এক নতুন বাজার তৈরি হবে। ইউরোপের সঙ্গে এই প্রস্তাবিত বাণিজ্যচুক্তিকে ‘সকল চুক্তির জননী’ বলে ব্যাখ্যা করেছেন ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলও।

ঘটনাচক্রে, এমন একটি সময়ে ইউরোপের সঙ্গে ভারতের এই বাণিজ্যচুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত রূপ পাচ্ছে, যখন ওয়াশিংটনের সঙ্গে দিল্লির এক বাণিজ্যিক টানাপড়েন সৃষ্টি হয়েছে। ভারতের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়ে রেখেছে আমেরিকা। দফায় দফায় আলোচনার পরেও সেই শুল্ক প্রত্যাহার হয়নি। অন্য দিকে, গ্রিনল্যান্ড-প্রসঙ্গে সম্প্রতি ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সঙ্গেও মনোমালিন্য তৈরি হয়েছিল আমেরিকার। এ অবস্থায় ভারত প্রসঙ্গে ইউরোপীয় জোটের এই অবস্থান যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

European union Narendra Modi EU
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy