Advertisement
E-Paper

এআই থেকে ইভিএম, নির্বাচনী ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহারে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে! সতর্ক করলেন কমিশনের বিশেষজ্ঞেরা

আইআইআইডিইএম নির্বাচন কমিশন পরিচালিত প্রশিক্ষণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান। গণতন্ত্র ও নির্বাচন ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কর্মশালা ও আন্তর্জাতিক আলোচনাচক্রেরও আয়োজন করে তারা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:৩০
Experts of IIIDEM says, electoral bodies can’t be reactive to tech disruption

প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

নির্বাচনী ব্যবস্থাপনার সঙ্কট এখন ত্রিমুখী। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে দু’টি সমস্যাই আদতে প্রযুক্তিগত। এক দিকে তথ্য ডিজিটাইজেশন ফলে তথ্যের গোপনীয়তা এবং সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা। অন্য দিকে ‘অস্বচ্ছ স্বয়ংক্রিয় ভোটব্যবস্থা’ (বৈদ্যুতিন ভোটযন্ত্র বা ইভিএমের মাধ্যমে জালিয়াতির আশঙ্কা)-র কারণে উঠে আসা প্রশ্ন। আর তার সঙ্গেই রয়েছে কৃত্রিম মেধা ব্যবহারের কারণে নতুন ব্যাঘাত সৃষ্টির আশঙ্কা।

কোনও ভোট পর্যবেক্ষক অসরকারি সংস্থা নয়। নির্বাচনী পদ্ধতির ত্রুটি সংক্রান্ত এমন গুরুতর প্রশ্ন উত্থাপন করেছে সরকারি সংস্থা ‘ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট’ (আইআইআইডিইএম)। এটি আদতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন পরিচালিত একটি প্রশিক্ষণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান। মূলত নির্বাচন কর্মী ও আধিকারিকদের প্রশিক্ষণ, নির্বাচনী আইন ও প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণা এবং গণতন্ত্র ও নির্বাচন ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কর্মশালা ও আন্তর্জাতিক আলোচনাচক্রের আয়োজন করে তারা।

আইআইআইডিইএম আয়োজিত ‘এআই অ্যান্ড ইলেকশনস: ইনোভেশন, ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড ইনস্টিটিউশনাল প্রিপেয়ার্ডনেস’ শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক কর্মশালায় সংস্থার বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ— নিশ্চেষ্ট হয়ে না থেকে এখনই সমস্যাগুলি দূর করতে সক্রিয় হতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। সম্প্রতি ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর কাজে ভুয়ো ভোটার ধরতে এআই (কৃত্রিম মেধা) ব্যবহার করার কথা জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের এক আধিকারিক বলেছিলেন, ‘‘আমরা ডেটা এনালিসিস করব। ডেটা স্ক্যান করব। নিখুঁত স্ক্যান করা হবে। কারও কোনও তথ্যে গোলমাল থাকলে তা আমরা ধরতে পারব।’’

কিন্তু কমিশনের সেই তথ্যগত অসঙ্গতি (লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি) চিহ্নিতকরণ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে ইতিমধ্যেই। আইআইআইডিইএম-এর বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, তাঁরা অনুভব করেছেন যে নির্বাচন সংস্থাগুলি প্রযুক্তিগত ব্যাঘাতের প্রতি প্রতিক্রিয়াশীল হতে পারে না। ‘বাহ্যিক প্রযুক্তিগত বাস্তুতন্ত্রের উপর নির্ভরতা’ এবং ‘প্রযুক্তিগত দক্ষতার বৈষম্য’কে আরও প্রশস্ত করতে পারে বলে তাঁদের আশঙ্কা। তবে সেই সঙ্গেই তাঁরা জানিয়েছেন, চিন্তাভাবনা-সহ প্রয়োগ করা হলে, এআই ভোটারদের সুবিধা বৃদ্ধি করতে পারে, পরিকল্পনা রূপায়ণে সহায়তা করতে পারে, এবং ডেটা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণকে আরও নির্ভুল করতে পারে। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ওই আন্তর্জাতিক কর্মশালায় ‘স্বয়‌ংক্রিয় ভোটগ্রহণ ব্যবস্থা’ (ইভিএম)-কে ত্রুটিপূর্ণ করার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে ভোটের প্রচারে ‘এআই-জেনারেটেড ডিপফেক’ ব্যবহারে জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করার বিষয়টি নিয়েও।

Election Commission EVM Technical Fault AI EVM Malfunction EVM Hacking disruption ECI Artificial Intelligence
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy