ইডি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বৃহস্পতিবার কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি শান্তনু সিংহ বিশ্বাস এবং কসবার ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুকে পেশ করা হল ব্যাঙ্কশাল আদালতে। বিচারকের কাছে শান্তনুর আইনজীবী তাঁর মক্কেলের জন্য ‘প্রথম শ্রেণির (গ্রেড ওয়ান) বন্দি’র মর্যাদার আর্জি জানিয়েছেন।
শান্তনুর আইনজীবী বৃহস্পতিবার বলেন, ‘‘শান্তনুর লাইফ থ্রেট (জীবন সংশয়) রয়েছে। আমার মক্কেল একাধিক থানায় গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত করেছেন। তাঁর তদন্তের জন্য একাধিক অভিযুক্ত গ্রেফতার হয়ে জেলে রয়েছেন। তাই জেলে ‘গ্রেড ওয়ান’ বন্দির মর্যাদা দেওয়ার আবেদন জানাচ্ছি।’’ ইডির আইনজীবী ধৃত প্রাক্তন পুলিশকর্তার বিচারবিভাগীয় হেফাজতের আবেদন করেছেন।
আরও পড়ুন:
তবে শান্তনু কেন গ্রেড ওয়ান বন্দির আবেদন করছেন, তা তাঁরা বুঝতে পারছেন না। ইডির আইনজীবী জানান, শান্তনু যে আবেদন করছেন, সেই রকম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে কি না, তা জেল কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে হবে। সোনা পাপ্পুর আইনজীবীও জামিনের আবেদন করেননি। তবে তাঁর মক্কেলের জন্য জেলে যথাযথ চিকিৎসার আর্জি জানিয়েছেন বিচারকের কাছে।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, কসবার প্রোমোটার সোনা পাপ্পুকে চলতি মাসেই গ্রেফতার করেছে ইডি। তাঁর বিরুদ্ধে ভয় দেখিয়ে কম দামে অন্যের জমি ও সম্পত্তি হস্তগত করার অভিযোগ রয়েছে। সোনা পাপ্পুর সঙ্গে এ বিষয়ে তিন জনের চক্রের কথা আদালতে উল্লেখ করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। একই সূত্রে গ্রেফতার হয়েছেন বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদারও। অভিযোগ, তাঁরা জমি সিন্ডিকেট চালাতেন এবং এলাকায় অত্যন্ত প্রভাবশালী ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে শান্তনুর যোগ পাওয়া গিয়েছে বলে ইডির দাবি। গত ১৪ মে সিজিও কমপ্লেক্সে শান্তনুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক বেআইনি আর্থিক লেনদেনের খোঁজ মিলেছে বলে আদালতকে জানিয়েছে ইডি।