Advertisement
E-Paper

ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য প্রথম স্টেলথ যুদ্ধবিমান নির্মাণের বরাত পাবে কারা? তিন সংস্থার লড়াই হবে চূড়ান্ত পর্বে

প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে বুধবার ১৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পাঁচটি পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান (এএমসিএ) নির্মাণের জন্য তিন দরপত্রদাতার উদ্দেশে ‘রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজ়াল’ চাওয়া হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ মে ২০২৬ ২১:৪২

প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান (যার পোশাকি নাম, ‘অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্রাফ্‌ট’ বা এএমসিএ) তৈরির জন্য সরকারি-বেসরকারি সহযোগী সংস্থা বাছাইয়ের আর এক ধাপ এগোল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। সরকারি সূত্রের খবর, প্রাথমিক ভাবে এ জন্য সাতটি সংস্থাকে বাছাই করা হয়েছিল, তার মধ্যে থেকে চূড়ান্ত পর্যায়ের যোগ্যতা নির্ণয়ের জন্য তিনটি সংস্থাকে বাছাই করা হয়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে বুধবার ১৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পাঁচটি পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান (এএমসিএ) নির্মাণের জন্য তিন দরপত্রদাতার উদ্দেশে ‘রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজ়াল’ চেয়েছে। ‘টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস লিমিটেড’, যৌথ ভাবে দরপত্র দেওয়া ‘লারসেন অ্যান্ড টুব্রো’ ও ‘ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড’ রয়েছে এই তালিকায়। পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান নির্মাণের বরাত পাওয়ার জন্য একসঙ্গে আবেদন জানানো ‘ভারত ফোর্জ লিমিটেড’ ও বিইএমএল (ভারত আর্থ মুভার্স লিমিটেড) স্থান পেয়েছে বাছাই তালিকায়।

তৎপর্যপূর্ণ ভাবে চূড়ান্ত বাছাই তালিয়ায় ঠাঁই পায়নি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ‘হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড’ (হ্যাল)! বাদ পড়েছে শিল্পপতি গৌতম আদানির সংস্থা ‘আদানি ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেস’। প্রসঙ্গত, বরাত পাওয়া সংস্থা ‘ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা’ (ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজ়েশন বা ডিআরডিও)-র সহযোগী হিসেবে কাজ করবে। ডিআর়ডিওর অধীনস্থ সংস্থা ‘অ্যারোনটিক্যাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (এডিএ)’-কে দেশীয় প্রযুক্তিতে প্রথম স্টেলথ যুদ্ধবিমানের নকশা নির্মাণের মূল দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যেই।

প্রাথমিক ভাবে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি স্টেলথ্‌ যুদ্ধবিমানে আমেরিকার তৈরি ৯০ কিলোনিউটন শ্রেণির জিই-৪১৪ ইঞ্জিন ব্যবহার করা হতে পারে। এক দশক পরে নতুন সংস্করণের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হলে ফ্রান্সের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ভারতে তৈরি ১২০ কিলোনিউটন শ্রেণির সাফরাঁ ইঞ্জিন বসানো হতে পারে বলে প্রকাশিত কয়েকটি খবরে দাবি। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি দূরপাল্লার অ্যাস্ট্রা এয়ার-টু-এয়ার (আকাশ থেকে আকাশ) ক্ষেপণাস্ত্র, এয়ার-টু-সারফেস (আকাশ থেকে ভূমি) ক্ষেপণাস্ত্র, লেজার-নিয়ন্ত্রিত গাইডেড বোমার সঙ্গে অত্যাধুনিক রাডার ও সেন্সর (শত্রুপক্ষের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নজর এড়াতে সক্ষম) থাকবে এএমসিএ-তে। প্রসঙ্গত, শত্রুপক্ষের রেডার-নজরদারি ফাঁকি দেওয়ার প্রযুক্তিসম্পন্ন স্টেলথ্ যুদ্ধবিমান আমেরিকা, রাশিয়া এবং চিনের ছাড়া অন্য কোনও দেশের হাতে নেই।

Indian Air Force AMCA IAF Stealth Technology Defence Indian Defence System DRDO HAL Fighter Jet
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy