মুম্বইয়ে নৌসেনার ডক ইয়ারর্ডে আগুন। বৃহস্পতিবার রাতে দক্ষিণ মুম্বইয়ের নৌসেনার ডক ইয়ার্ডের ভিতর আগুন লাগে। নৌসেনা কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত আগুন নিভিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। কী ভাবে আগুন লাগল তা এখনও স্পষ্ট নয়।
সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত সওয়া ১০টা নাগাদ ওই ডক ইয়ার্ডের ভিতরে অবস্থিত সার্ভে ইয়ার্ড ভবনে আগুন লাগে। এক আধিকারিকের কথায়, “কোলাবায় গেটওয়ে অফ ইন্ডিয়ার উলটো দিকে একটি জায়গায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।” তিনি জানান, নৌবাহিনী কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে দ্রুত আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে দেন। এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। কী কারণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রধান অগ্নিনির্বাপক আধিকারিক রবীন্দ্র আম্বুলগেকার বলেন, “ঘটনাস্থলে প্রচুর সংখ্যক অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র এবং ট্যাঙ্কার পাঠানো হয়েছে। নৌবাহিনী প্রথমে না করলেও, পরে মুম্বইয়ের দমকলবাহিনীকে সাহায্য করার অনুমতি দেয়।”
আরও পড়ুন:
এই ঘটনা সংক্রান্ত সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।) সেখানে দেখা যাচ্ছে, ওই এলাকাটি কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে এবং দূর থেকে আগুনের লেলিহান শিখা বার হচ্ছে।
এর আগে একাধিকবার নৌসেনার ওই ডক ইয়ার্ডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ২০২৪ সালে মুম্বই ডক ইয়ার্ডে গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ফ্রিগেট গোত্রের যুদ্ধজাহাজ আইএনএস ব্রহ্মপুত্রে আগুন লাগে। নৌসেনার তরফে জানানো হয়, মুম্বই ডক ইয়ার্ডে ‘মাল্টিরোল ফ্রিগেট’ আইএনএস ব্রহ্মপুত্রের রক্ষণাবেক্ষণ এবং মেরামতির কাজ চলছিল। সে সময়ই হঠাৎ যুদ্ধজাহাজটিতে আগুন লেগে যায়। ২০২২ সালের ২১ জুলাই ভারতীয় নৌসেনার বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রমাদিত্যে অগ্নিকাণ্ডে এক নৌসেনা অফিসারের মৃত্যু হয়েছিল। তার আগে ২০১৯ সালের এপ্রিলে কারওয়ার বন্দরে ঢোকার মুখে অগ্নিকাণ্ডের শিকার হয়েছিল আইএনএস বিক্রমাদিত্য। সেই ঘটনাতে মৃত্যু হয়েছিল নৌসেনার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার ডিএস চৌহানের।