সুপ্রিম কোর্টের পর এ বার গুয়াহাটি হাই কোর্টেও ধাক্কা খেলেন কংগ্রেস নেতা পবন খেরা। আদালত তাঁর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার স্ত্রী রিণিকি ভুইয়াঁর দায়ের করা মানহানি মামলার প্রেক্ষিতে দায়ের হওয়া এফআইআরের পরই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন পবন।
বিতর্কের সূত্রপাত পবনের করা একটি মন্তব্য ঘিরে। দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে কংগ্রেসের জনসংযোগ দফতরের চেয়ারম্যান অভিযোগ তুলেছিলেন, অসমের মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রীর তিনটি বিদেশি পাসপোর্ট, দুবাইয়ে সম্পত্তি ও আমেরিকায় কোম্পানিতে বিপুল বিনিয়োগ রয়েছে। সেই মন্তব্যের পরই রিণিকি মানহানির মামলা করেন।
এর পরে পবন তেলঙ্গানা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। গত ১০ এপ্রিল তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে এক সপ্তাহের ট্রানজ়িট জামিন মঞ্জুর করে তেলঙ্গানার উচ্চ আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় অসম সরকার। তাদের যুক্তি ছিল, অসমের আদালতে আবেদন না-করে তেলঙ্গানায় আবেদনের কোনও যৌক্তিকতা ছিল না। পাশাপাশি, পবন তাঁর জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন করেছিলেন। যদিও সুপ্রিম কোর্ট কংগ্রেস নেতার আবেদন খারিজ করে দেয়। এমনকি তেলঙ্গানা হাই কোর্টের আবেদনের উপর স্থগিতাদেশ জারি করে।
তবে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, আগাম জামিনের আবেদন অবিলম্বে অসমের সংশ্লিষ্ট আদালতে করতে হবে। আদালতের নির্দেশ মতো গুয়াহাটি হাই কোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন পবন। তবে শুক্রবার গুয়াহাটির উচ্চ আদালত পবনকে আগাম জামিন দিতে অস্বীকৃত হয়। প্রশ্ন উঠছে, তবে কি পুলিশ পবনকে গ্রেফতার করবে? গ্রেফতারির আশঙ্কা থাকলেও পবনের কাছে বিকল্প পথও খোলা আছে। এখন তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে নিয়মমাফিক জামিন চাইতে পারেন।