Advertisement
২৩ জুলাই ২০২৪
Bihar

প্রেমিকের সঙ্গে অভিসার, রোজ রাতে গ্রামে বিদ্যুৎবিভ্রাট, কিশোরীর কাণ্ডে মধুরেণ সমাপয়েৎ

কেন রোজ রাতে লোডশেডিং হচ্ছে, এই নিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী অফিসেও অভিযোগ জানিয়েছিলেন গ্রামবাসীরা। কিন্তু সুরাহা হয়নি।

representative photo of couple

—প্রতীকী চিত্র।

আনন্দবাজার অনলাইন ডেস্ক
পটনা শেষ আপডেট: ২৩ জুলাই ২০২৩ ১৫:২৭
Share: Save:

প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করবে বলে রোজ রাতে গ্রামের বিদ্যুৎসংযোগ বন্ধ করে দিত এক কিশোরী। এর জেরে বিপাকে পড়ছিলেন গ্রামবাসীরা। এমনকি, চুরির ঘটনাও বাড়ছিল। কেন রোজ রাতে লোডশেডিং হচ্ছে, এই নিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী অফিসেও অভিযোগ জানিয়েছিলেন গ্রামবাসীরা। কিন্তু সুরাহা হয়নি। শেষে ফাঁস হয়ে যায় এক কিশোরীর এই কাণ্ড ঘটাত। নিয়মিত। কিশোরী এবং তার প্রেমিককে হাতেনাতে ধরে ফেলেন গ্রামবাসীরা। পরে তাঁদের গ্রামের মন্দিরে বিয়ে দেওয়া হয়। এমন কাণ্ডই ঘটেছে বিহারের পশ্চিম চম্পারণ জেলার বেতিয়া এলাকায়। রবিবার এই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে এসেছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, রাজকুমার নামে এক যুবকের সঙ্গে প্রীতি কুমারী নামে এক কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক। প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করার জন্য রোজ রাতে গ্রামের বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন করত কিশোরী। গত এক সপ্তাহে রোজ রাতে গ্রামে লোডশেডিং হওয়ায় দুর্ভোগে পড়েন বাসিন্দারা। এমনকি, গ্রামে চুরির ঘটনাও ঘটে। বিদ্যুৎ দফতরে অভিযোগ জানিয়েও কোনও সমাধান হয়নি। কেন রোজ রাতে লোডশেডিং হচ্ছে, এই রহস্য উদ্ঘাটনে তৎপর হন গ্রামবাসীরা। তার পরই এক রাতে প্রীতি এবং রাজকুমারকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন কয়েক জন।

রাজকুমারকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে গ্রামের কয়েক জন যুবকের বিরুদ্ধে। এর পরেই রাজকুমারের দলবলও গ্রামের কয়েক জন বাসিন্দাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনার ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে সমাজমাধ্যমে। যদিও ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দাবাজার অনলাইন। মারধরের পর অবশ্য মধুরেণ সমাপয়েৎ হয়। রাজকুমার এবং প্রীতির দুই গ্রামের বাসিন্দারা মিলে তাঁদের বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। স্থানীয় একটি মন্দিরে বিয়ে হয় তাঁদের।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)

অন্য বিষয়গুলি:

Bihar Love Affair Love Story
সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:
Advertisement

Share this article

CLOSE