Advertisement
E-Paper

কানপুরে কিশোরীকে গণধর্ষণে নাম জড়াল পুলিশকর্মী ও সাংবাদিকের! দুই অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি, ধৃত ১

ঘটনাটি ঘটে চলতি সপ্তাহের শুরুতে। নির্যাতিতা ছাত্রী সপ্তম শ্রেণির পড়ুয়া ছিল। অভিযোগ, রাত ১০টার দিকে তাকে একটি গাড়িতে তুলে রেললাইনের পাশে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায় দুই অভিযুক্ত।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ ১৩:৫২
এই ধরনের খবরের ক্ষেত্রে আসল ছবি প্রকাশে আইনি নিষেধাজ্ঞা থাকে।

এই ধরনের খবরের ক্ষেত্রে আসল ছবি প্রকাশে আইনি নিষেধাজ্ঞা থাকে। — প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

কিশোরীকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল এক পুলিশকর্মী ও সাংবাদিকের বিরুদ্ধে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে উত্তরপ্রদেশের কানপুরের সাচেন্দিতে ঘটনাটি ঘটেছে। ১৪ বছর বয়সি ওই কিশোরীকে অপহরণ করে নির্যাতনের অভিযোগে ইতিমধ্যেই ওই সাংবাদিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত পুলিশকর্মী এখনও ফেরার।

বুধবার পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি ঘটে চলতি সপ্তাহের শুরুতে। নির্যাতিতা ছাত্রী সপ্তম শ্রেণির পড়ুয়া ছিল। অভিযোগ, রাত ১০টার দিকে তাকে একটি গাড়িতে তুলে রেললাইনের পাশে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায় দুই অভিযুক্ত। সেখানে তাকে প্রায় দু’ঘণ্টা আটকে রেখে যৌন নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ। সব শেষে অচৈতন্য অবস্থায় কিশোরীকে তার বাড়ির সামনে ফেলে দিয়ে চম্পট দেয় অভিযুক্তেরা।

নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, পুলিশের এক সাব-ইন্সপেক্টর এবং স্থানীয় এক ইউটিউবার তথা সাংবাদিক মিলে এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। ওই সাংবাদিককে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে ওই পুলিশকর্মী ফেরার। চারটি পৃথক পৃথক দল গড়ে পলাতক সাব-ইন্সপেক্টরকে খুঁজছে পুলিশ। অপরাধে ব্যবহৃত গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, যার মালিকানা রয়েছে ওই পুলিশকর্মীর নামে।

স্থানীয় পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে নাবালিকার পরিবার। তাঁদের দাবি, পুলিশকর্মীর জড়িত থাকার কথা শুনেই প্রথমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ। নির্যাতিতার মোবাইল ফোনটিও কেড়ে নেওয়া হয়। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসে পুলিশের উপরমহল। পুলিশ কমিশনার রঘুবীর লালের নির্দেশে ডেপুটি কমিশনার (পশ্চিম) দীনেশচন্দ্র ত্রিপাঠীকে অপসারণ করা হয়। বরখাস্ত করা হয় সাচেন্দির এসএইচও বিক্রম সিংহকেও।

সিপি রঘুবীর বলেন, ‘‘নির্যাতিতার বয়ানের ভিত্তিতে ওই সাব-ইন্সপেক্টর এবং ইউটিউবারের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পলাতক এসআইকে গ্রেফতারের জন্য চারটি দল গঠন করা হয়েছে।’’ পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, অভিযুক্ত পুলিশকর্মী বিথুর থানায় কর্মরত। তা সত্ত্বেও ঘটনার সময়ে তিনি কেন সাচেন্দিতে উপস্থিত ছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্য দিকে, সংশ্লিষ্ট কর্তাদের অপসারণের পর সাচেন্দি থানার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দীননাথ মিশ্রকে। আপাতত তদন্তে নেতৃত্ব দিচ্ছেন অতিরিক্ত ডিসিপি (পশ্চিম) কপিলদেব সিংহ। তাঁরা জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে গোটা ঘটনার তদন্ত হবে।

Kanpur Rape Gangrape police
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy