E-Paper

নাম তোলার নির্দেশ, ভোটের অধিকার নিয়ে কড়া হাই কোর্ট

জয়েশ বটুকভাই পটেল নামে ওই ব্যক্তির নাম ২০২১ সালের ভোটার তালিকায় ছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রটি থেকে স্থানান্তরিত হওয়ায় বিশেষ নিবিড়় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম বাদ যায়।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:৪০

—প্রতীকী চিত্র।

ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাওয়া এক ব্যক্তির নাম পুনরায় যোগ করার নির্দেশ দিয়ে গুজরাত হাই কোর্ট বলেছে, ভারতের প্রতিটি নাগরিকেরই ভোট প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করার অধিকার রয়েছে।

জয়েশ বটুকভাই পটেল নামে ওই ব্যক্তির নাম ২০২১ সালের ভোটার তালিকায় ছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রটি থেকে স্থানান্তরিত হওয়ায় বিশেষ নিবিড়় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম বাদ যায়। তবে নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য তিনি এই বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি আবেদন করেছিলেন। সেই দিনটি ছিল প্রাথমিক তালিকা প্রকাশের অনেক আগে। নাম তোলার আবেদন ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও) গ্রহণ করেছিলেন এই বছরের ৩ মা্র্চে। ওই ব্যক্তির নাম সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় রাখার নির্দেশ দেওয়াহয়। সেই সময়েও প্রাথমিকতালিকা প্রকাশিত হয়নি। কিন্তু এই বছরের ৪ এপ্রিল ওই ব্যক্তিকে নির্বাচনী আধিকারিকের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, ভোটার তালিকায় তাঁর নাম তোলা সম্ভব হচ্ছে না। এর বিরুদ্ধে গুজরাত হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন জয়েশ বটুকভাই পটেল।

হাই কোর্টের বিচারপতি এনএস সঞ্জয় গৌড়়া ও বিচারপতি জেএল ওডেড্রা গত ৬ এপ্রিল নির্বাচন কমিশনকে যে নির্দেশ দিয়েছেন, তাতে বলা হয়েছে, আবেদনকারীর নাম সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রে তুলতে হবে। আদালত জানিয়েছে, প্রাথমিক তালিকা প্রকাশের আগে যেহেতু নাম যোগ করতে আবেদনকারীর আবেদন গ্রহণ করেছেন আধিকারিক এবং চূড়ান্ত তালিকা এখনও প্রকাশিত হয়নি, তাই ভোট প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণে ভোটারকে বঞ্চিত করা সম্ভব নয়। বিচারপতিরা বলেন, ১০ এপ্রিল যেহেতু চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হবে, তাই আবেদনকারীর নাম সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় রাখতে হবে। ভোটার তালিকায় আবেদনকারীর নাম যোগ করা নিয়ে ৩ মার্চ যে হেতু নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, তাই তাঁকে ২৬ এপ্রিলের নির্ধারিত নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতেদেওয়া হোক।

হাই কোর্টে রাজ্যের নির্বাচন কমিশনের তরফে যুক্তি দেওয়া হয়েছিল, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এই পর্যায়ে কোনও নাম অন্তর্ভুক্ত করতে গেলে গোটা প্রক্রিয়া বেহাল হয়ে যেতে পারে। কিন্তু কমিশনের সেই যুক্তি মেনে নেয়নি হাই কোর্ট। বিচারপতিরা জানিয়েছেন, আবেদনকারীর নাম ভোটার তালিকায় তোলার জন্য ৩ মার্চ নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, তাই ভোটে নাগরিকের অংশগ্রহণের অধিকার খর্ব করা সম্ভব নয়। বিচারপতিরা জানান, এই বছরের ৩ মার্চের নির্দেশের মাধ্যমেই আবেদনকারীর নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় রাখতে হবে। বিচারপতিরা বলেন, ‘‘প্রতিটি নাগরিকেরই ভোট প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের অধিকার রয়েছে। শর্ত একটাই, তাঁর নাম ভোটার তালিকায় থাকতে হবে।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

SIR Election Commission

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy